ছেড়া নোঙর

আমার শৈশবের মত দামী, আমার কান্না জড়ানো গান,
মাথা উচু সেইন্ট গ্রেগরী আমার, সময়ের টানে ম্লান ।
আমার পরিচিত লাস্ট বাস, আমার ভাঙ্গাচোরা নিঃশ্বাস,
ব্রাদার চার্লসের চুইংগাম, আমার রক্ত আমার ঘাম,
আমার লাস্ট বাসে বাড়ি ফেরা, মাথা তুলবার তাড়া,
আমার জাহাজের পাটাতন, ছেড়া নোঙর, ছেড়া মন,
ছেড়া নোঙর
................................

IDB-BISEW IT Scholarship Program Round 27

Eligibility

A person who has already passed Bachelor's (Pass Course/Honors) or Master's degree examination can apply for the scholarship. Individuals holding Diploma in Civil Engineering, Architecture, Construction and Survey can also apply.


Facility

The selected candidates will get an opportunity to undergo training by participating in a Certificate or a Diploma level course at one of the premiere training institute in Dhaka & Chittagong. In financial terms these courses are worth approximately Tk. 1,25,000 for training only. An additional sum of around Tk. 20,000 is spent for vendor certification for each trainee. Trainees also receive Tk. 2,000 per month as allowance.

The scholarship would cover the entire tuition fees for each courses offered. It also covers Vendor Certification examination fee that a candidate needs to pass in order to successfully complete the course. The scholarship would not cover the cost to be incurred by the candidate for food and accommodation during the training.

Apply Procedure

Buy the application kit from any of the designated branches of Islami Bank Bangladesh Ltd., which contains following:
1. APPLICATION FORM
2. INFORMATION FORM (in OMR Format)
3. A pre-labelled return envelope
Carefully go through the forms and the instructions for filling up the forms.
Fill up each form. While doing that, the candidate should use a 2B pencil or black ball-point pen.
Do not forget to tear off the section marked "Admit Card" at the bottom of the APPLICATION FORM. If selected, this section would be used as Admit Card at the time of selection exam. Without this Admit Card, a candidate even if selected, would not be allowed to take part in the selection exam.
Put all properly filled up forms in the envelope provided. Do not use any other envelope.
Mail, courier or hand-deliver the envelope to the specified address within the deadline of submitting application form.
Write down the application form's serial number somewhere and keep it in a safe place for future reference.

Special Note

For more information about this scholarship please call: 01916-255852

সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০১৫

আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০১৫।

উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর‌্যায়ে অংশ নেওয়ার পর জাতীয় পর‌্যায়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। 


দেশব্যাপী সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করতে মত এ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ শেষে অষ্টম, নবম থেকে দশম এবং একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভাগ করে ৩টি গ্রুপে শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। 

তবে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে না। 

ভাষা ও সাহিত্য, বিজ্ঞান, গণিত ও কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। 

০১-০৩ মার্চ উপজেলা, ০৭-০৯ মার্চ জেলা, ১২-১৫ মার্চ বিভাগ, ১৬-১৯ মার্চ ঢাকা মহানগর পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

আর  ২৩-২৭ মার্চ জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা হবে। 

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ঢাকা মহানগর এলাকার ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলের উপপরিচালকের কাছে নাম নিবন্ধন করতে হবে। 

গতবারের মত এবারও ১২টি বিভাগে জাতীয়ভাবে ১২ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। তাদেরকে সনদসহ এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে।

উপজেলা পর্যায়ে সেরা ১২ জনের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা, জেলা পর্যায়ে ১২ জনকে এক হাজার ৫০০ টাকা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ১২ জনকে ২ হাজার টাকা করে পুরস্কার ও সনদ দেওয়া হবে।

উপজেলা থেকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনটি গ্রুপে চারটি বিষয়ে ১২ জনকে উপজেলার সেরা মেধাবী বাছাই করে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। প্রতিটি জেলা থেকে একইভাবে ১২ জনকে জেলার সেরা মেধাবী বাছাই করে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় পাঠানো হবে। 

সাতটি বিভাগ ও ঢাকা বিভাগীয় মহানগরী থেকে নির্বাচিত ৯৬ জন সেরা বিভাগীয় মেধাবী জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করবে। সেখান থেকে নির্বাচন করা হবে জাতীয় পর্যায়ে বছরের সেরা মেধাবী ১২ জন। তাদেরকে সনদসহ এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেয়া হবে। 
বিস্তারিত ডাউনলোড করুন এখানে। 

তোমার স্বপ্ন করো সত্যি

প্রতিটি নারীর মনেই আছে তার সত্যিকারের প্রতিভা বিকাশের স্বপ্ন, যে স্বপ্ন তাকে সাহায্য করে বিয়ের আগে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে।
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন-তোমার স্বপ্নের গুরুত্ব উপলদ্ধি করে তোমার ভবিষ্যতের পথে পাশে আছে। 

আজই তাদের সাথে যোগাযোগ করো। তুমি কি হতে চাও এবং কি করতে চাও তা সম্পর্কে তাদের জানাও। মেধা, যোগ্যতা ও কর্মপরিকল্পনা বিচারে স্কলারশিপ, কারিগরি শিক্ষা সহায়তা এবং ব্যবসার মূলধন প্রদানের মাধ্যমে পথচলায় তোমার পাশে থাকবে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন
এগিয়ে যাও তোমার স্বপ্নপূরণে!
ফর্ম ডাউনলোড করো এখান থেকে
আবেদন করার যোগ্যতা

সাধারণ নিয়মাবলী

  1. ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপ, কারিগরি ট্রেইনিং এবং ব্যবসায়ে মূলধন প্রাপ্তি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করার মাধ্যমে আবেদনকারী ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন-এর সব নিয়ম ও শর্তাবলি মেনে নিবেন।
  1. ক্যাম্পইেন-এ নিয়মাবলী পরিবর্তন, পরিমার্জন অথবা পরিবর্ধন করার সর্বস্বত্ব ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড সংরক্ষণ করে।
  1. অংশগ্রহণকারীরা যদি তাদের ফোন নাম্বার অথবা চিঠিপত্রের ঠিকানার কোন পরিবর্তন করে তাহলে নিজ দায়িত্বে ইউনিলিভার-কে অবহিত করতে বাধ্য থাকবেন।
  1. নির্বাচিতরা অনুদান/প্রশিক্ষণ ব্যতীত অন্য কিছুই ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিঃ-এর কাছে দাবি করতে পারবেন না। নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল কেয়ারলাইনের মাধ্যমে প্রতিযোগীকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
  1. অনুদানকৃত টাকার পরিমাণ নির্ধারণে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
  1. এই ক্যাম্পইেন-এ শুধুমাত্র বাংলাদেশী নারীরাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আবেদনপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর দিন অনুযায়ী বয়স ১৮ বছর হতে হবে।
  1. ১৮ বছরের কম বয়সী প্রার্থীর পক্ষে তার অভিভাবক আবেদন করতে পারবেন।
  1. ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড, অন্যান্য বিজ্ঞাপনী সংস্থাসহ প্রোমোশনাল এজেন্সি, আইন ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং এদের সহযোগী কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, কর্মকর্তা, পরিচালকবৃন্দ অথবা এদের পরিবারের সদস্যসহ এই ক্যাম্পইেন-এ সাথে সম্পৃক্ত কেউ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

আবেদন করার নিয়ম

  1. এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আগ্রহী প্রার্থীরা ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপ, কারিগরি ট্রেইনিং এবং ব্যবসায়ে মূলধন প্রাপ্তি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও কেয়ারলাইন নম্বরে (০৯-৬৬৬-৯৯৯-৬৬৬) ফোন করে আবেদনপত্র কুরিয়ার করার জন্য অনুরোধ করা যাবে। আবেদনপত্র পূরণ করে জিপিও বক্স ৪০৩৪-এ পাঠিয়ে দিতে হবে। অথবা পূরণ করা ফর্ম ইমেইল করতে পারেন: careline.bd@unilever.com
  1. অসমাপ্তভাবে পূরণ করা ফর্ম গ্রহণযোগ্য হবে না।
  1. আবেদনকারীর প্রদান করা ডকুমেন্ট এবং তথ্যসমূহ সঠিক এবং আসল বলে বিবেচনা করা হবে। কোনো কারণে এসব তথ্য ভুল প্রমাণিত হলে আবেদনকারী অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
  1. পূরণ করা ফর্মের সাথে নির্দিষ্ট শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান “ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রদত্ত এই সুবিধা কীভাবে আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করবে?”

সময়সীমা

  1. আবেদনপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর শেষ সময় ৩১ মার্চ, ২০১৫।
নির্বাচন প্রক্রিয়া
  1. বিচারক/ প্যানেলিস্ট-দের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করা হবে।
  1. মেধা, যোগ্যতা, আর্থিক সামর্থ্য ও কর্মপরিকল্পনা বিচারে নির্দিষ্ট কোটার বিপরীতে স্কলারশীপ, কারিগরি শিক্ষা সহয়তা এবং ব্যবসায় মূলধন প্রদান করা হবে।
  1. প্রতিটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচন কোটার সংখ্যা নির্ধারণের সর্বময় এখতিয়ার ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিঃ সংরক্ষণ করে।

উচ্চশিক্ষা সহায়তা

  1. আবেদনকারীকে অবশ্যই এইচএসসি বা সমমানের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার প্রতিটিতে অবশ্যই সর্বনিম্ন ৬০% নম্বর পেতে হবে।
  1. আবেদনকারী তার ইচ্ছেমতো বাংলাদেশের যেকোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অথবা সরকারী কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর করতে পারেন।
  1. ভর্তি প্রক্রিয়া আবেদনকারীর নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করতে হবে।
  1. আবেদনকারীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে অধ্যয়নরত থাকতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা সহায়তা

  1. আবেদনকারীকে অবশ্যই ৮ম শ্রেণি পাশ করতে হবে।
  1. আবেদনকারীকে অবশ্যই ৮ম শ্রেণিতে সর্বনিম্ন ৫০% নম্বর পেতে হবে।
  1. ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলো হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে এবং নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সকল বিধি বিধান মেনে চলতে হবে।
  1. প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অবস্থান করার ক্ষেত্রে পরিবারের সম্মতি প্রয়োজন হবে।
  1. প্রশিক্ষণ বাস্তবায়নের সহায়ক পরিবেশ আছে কিনা নিশ্চিত করেই চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে।
  1. প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেক প্রতিযোগীকে নিজ দায়িত্বে বহির্গমন ও অবস্থানকালীন নিরাপত্তা ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
  1. ভর্তির পর কারিগরি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ক্লাসের সময়, স্থান ও অন্যান্য বিষয় মেনে চলতে হবে।
ব্যবসায় সহায়তা
  1. আবেদনকারীকে অবশ্যই ৮ম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে।
  1. নূন্যতম ৩ বছরের কর্ম অথবা নিজ ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  1. ব্যবসা উন্নয়নের পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং তা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতিতে বিচরণ করতে হলে লোকছড়া চর্চার বিকল্প নাই

একে ইঁদুরদুয়ে দাঁত… / ওপেনটি বায়োস্কোপ… / জামাইরো চুলরে বট গাছের ঝুরিরে… / হাট টিমাটিম টিম… / আশালতা পালঙ পাতা… / আমপাতা জোড়া জোড়া… / খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়োলো… / বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর… / আয় আয় চাঁদ মামা… / আয়রে আয়রে টিয়ে… ইত্যাদি।
আধুনিক কবিতার শুরু শেষ আছে।কিন্তু লোকছড়ার শুরু এবং শেষ বোঝা যায় না। আধুনিক কবিতা পর্যায়ক্রমিকভাবে আবর্তিত হয় কিন্তু লোকছড়ার কোন মিল নেই। এক চরণের সঙ্গে অন্য চরণের কোন সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার আধুনিক কবিতা কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে রচিত হয় কিন্তু লোকছড়ার কোন নির্দিষ্ট বিষয় নাই। একেক লাইনে বা চরণে একেক বিষয় অবতারনা হয়। শিশুরা যেমন একটা প্রশ্ন করার পর তার উত্তর না পাবার আগেই আর একটা প্রশ্ন করে ফেলে তেমনি লোকছড়ার একটা বিষয় এর ভিতর অন্য বিষয় ঢুকে পড়ে।

লোকছড়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর কোন অর্থ পাওয়া যায় না।এর কোন অর্থ থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। যে এই ছড়াগুলো পড়বে তাকে নিজের মত অর্থ করে নিতে হবে। এই কারণে লোকছড়া চর্চার মাধ্যমে কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি পায়। লোকছড়া চর্চা করলে মানুষের কল্পনার ঘোড়া লাগামহীনভাবে টগবগিয়ে ছুটে চলে। তাই বলা যায়, কল্পনাপ্রবন হতে হলে লোকছড়া চর্চার বিকল্প নাই।
আবার দেখা যায় যে, লোকছড়ায় শত্রুকে বধ করা, অন্যায়-অত্যাচার প্রতিরোধ করা, অসম্ভব কার্যকে সফলভাবে সম্পন্ন করার চিত্র প্রতিফলিত হয়। ফলে লোকছড়া চর্চা করলে শত্রুকে ভয় না পাবার শিক্ষা পাওয়া যায়। অন্যায়-অত্যাচার প্রতিরোধ করার শক্তি অর্জিত হয় এবং কোন কার্যকে কঠিন বলে মনে হয় না।
মানবজীবন বিভিন্ন সমস্যায় পর্যবসিত। মানুষ চলতে ফিরতে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সন্মুখীন হয়।এসব প্রতিকূলতা জয় করলে তবেই সফল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠা যায়। আর এসব প্রতিকূলতা জয় করতে হলে কাউকে ভয় পেলে চলবে না। অন্যায়কে প্রতিহত করতে হবে এবং কোন কাজকে অসম্ভব ভেবে বসে থাকলে চলবে না। সর্বোপরি তাকে কল্পনাপ্রবন হতে হবে। আর এসব অর্জন করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন লোকছড়া চর্চা করা। লোকছড়া চর্চার মাধ্যমেই উপরোক্ত শক্তিগুলো অর্জন করা যায়।
অন্যদিকে দেখা যায়, লোকছড়া সাধারণত মানব মনের প্রতিচ্ছবি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় নিযে রচিত। যা সহজেই মানুষের মনে গেঁথে যায়। ফলে এই ছড়াগুলোর ভিতরে সহজেই প্রবেশ করা যায়। এই রকম সহজে ছড়ার মধ্যে প্রবেশ করা পরবর্তীতে গভীর কোন কবিতায় প্রবেশ করা সহজ করে দেয়। অর্থাৎ বর্তমান বা আধুনিক, গাম্ভীর্যপূর্ণ কবিতা বুঝতে হলে বা কবিতার মধ্যে প্রবেশ করতে হলে প্রথমেই লোকছড়া চর্চা করতে হবে। লোকছড়া চর্চার মাধ্যমেই আধুনিক কবিতার ভিতরে প্রবেশ করতে হয়।
শিকড় ছাড়া যেমন কোন গাছ বেঁচে থাকতে পারে না তেমনি লোকছড়া চর্চা ছাড়া পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠা যায় না বা আধুনিক কবিতা বা গাম্ভীর্যপূর্ণ সাহিত্যে প্রবেশ করা যায় না। সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতিতে বিচরণ করতে হলে লোকছড়া চর্চার বিকল্প নাই


প্রাচীনকাল হতে লোকজনের মুখে মুখে যে ছড়াগুলো বিস্তার লাভ করেছে তাকে লোকছড়া বলে।কে এই ছড়াগুলো লিখেছেন তা ইতিহাসে পাওয়া যায় না। কিংবা কখন এই ছড়াগুলো রচনা করা হয়েছে তারও নির্দিষ্ট সময় কেউ বলতে পারে না। শুধুমাত্র ভাললাগা থেকে এগুলো আজও মানুষের মনে রয়ে গেছে