Showing posts with label Career. Show all posts
Showing posts with label Career. Show all posts

ওপার বাংলায় জিওলজি নিয়ে পেশাগত সুযোগসুবিধে


১. পৃথিবী এবং ভূত্বক নিয়ে গবেষণা বা তার উন্নতি বিষয়ক কাজকর্মের সুযোগ আছে, এরকম বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতে পারেন জিওলজি গ্র্যাজুয়েটরা।
২. জিওলজি নিয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটদের কাজের সুযোগ মেলে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার কাজে, এডুকেশন অফিসার, রিসার্চ আ্যসোসিয়েট ইত্যাদি কাজে। তা ছাড়াও, স্বাধীনভাবে গবেষণার কাজও করতে পারেন কোনও জিওলজিস্ট।
৩. প্রাকৃতিক গ্যাস এবং খনিজ তেল উত্‌পাদক সংস্থা
৪. ভূ-অভ্যন্তরীণ জল বিষয়ে গবেষণাসংস্থা
৫. খনি গবেষণা সংস্থা
৬. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি
৭. পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক কনসালট্যান্সি এবং সার্ভিস কোম্পানি
৮. বিভিন্ন পরিষেবা প্রতিষ্ঠান
৯. জাতীয় পরিবেশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান
১০. জিওলজিক্যাল সার্ভে
১১. পরিবেশ সুরক্ষাদপ্তর

বাংলাদেশে জিওলজিতে চাকুরির বাজার আলোকপাত করেছি। এবার দেখি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কী সুযোগ সুবিধে রয়েছে । 

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে (এবং তার অন্তর্গত বিভিন্ন কলেজে) জিওলজি নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে সেরকম কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হল,
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
কলকাতা
ওয়েবসাইট : www.caluniv.ac.in
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
কলকাতা
ওয়েবসাইট : www.jadavpur.edu
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, খড়্গপুর
পশ্চিমবঙ্গ
ওয়েবসাইট : www.iitkgp.ernet.in
কোর্স : জিওলজিক্যাল সায়েন্সে এম এসসি এবং পিএইচ ডি
বধর্মান বিশ্ববিদ্যালয়
বধর্মান
ওয়েবসাইট : www.buruniv.ac.in
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি
আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি
আলিগড়
ওয়েবসাইট : www.amu.ac.in
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি
বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি
বারাণসী
ওয়েবসাইট : www.bhu.ac.in
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি
জওহরলাল নেহ্রু বিশ্ববিদ্যালয়
নয়া দিল্লি
ওয়েবসাইট : www.jnu.ac.in
কোর্স : এনভায়রনমেন্ট বা ইন্টারডিসিপ্লিনারি সায়েন্সে এম এসসি, এম ফিল এবং পিএইচ ডি
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়
রাজা রামমোহন রায়
ওয়েবসাইট : www.nbu.ac.in
কোর্স : জিওলজিতে বি এসসি, এম এসসি এবং পিএইচ ডি

ভূতত্ত্ববিদ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

( আপডেটেড )
BPSC.GOV.BD নন ক্যাডার চাকুরি বিজ্ঞপ্তি  www.bpsc.gov.bd. Bangladesh Public Service Commission ( BPSC ) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছে। www.bpsc.gov.bd
অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আমি শুধু জিওলজির অংশটুকু দিচ্ছি। আবেদনের শেষ তারিখ ১২ মার্চ। 
BPSC Non Cadre Job Summary:
Job Title: Different Category
Published Date: February 11, 2015
Last Date Application: March 12, 2015
Job Nature: Full-time
Job Type: BPSC Non Cadre
Employment Type: Permanent
ভূতত্ত্ববিদঃ ৪ টি পদে নিয়োগ
Age Limit: Maximum Age 30 years. [Age limit for son-daughter of freedom fighters and disabled person is 32 years.]
Job Experience: Nil
Gender: Booth (Male and Female)
Application Fee: 300/-






ডাউনলোড করুন পুরো সার্কুলারটি

তিতাস থেকে ফিরেঃ অভিজ্ঞতা ও একটি প্রশ্নপত্রের ড্রিলিং

এতদিন যারা তিতাসের নাম শুনলেই হাপিত্যেশ করেছিলো, তিতাস ঘুরে এসে সে হতাশা কেটে গেছে আশাকরি। তবে নতুন করে কিছু প্রশ্নও দানা বেঁধেছে। আমাদের অনেকেই আছে, যারা শুধু স্রেফ এতো টুকুই জানি, জিওলজি পড়লে তিতাস, পেট্রোবাংলায় চাকরি করা যায়। কিন্তু জন্মেও তিতাস, পেট্রোবাংলার উঠোনে পা দেইনি। আজ যখন পা দিলাম তখন অনেকটা দেরীতে। ইশ! অনেক আগে ঘুরে যেতে পারলে কাজ হতো। কি কাজ হতো! আশা বাঁধতাম, স্বপ্ন দেখতাম, রেজাল্ট অনেক ভালো করতাম, একটা সম্পর্ক তৈরি হতো ইত্যাদি। হাপিত্যেশটা এখানেই।
আর যারা জিওলজিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে তাদের কথা ভিন্ন।


এখন কথা হলো, লোভ খুব গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশুনার জন্য চাকরির জন্য একটা Passion থাকা দরকার। টান অনুভব না হলে ভালো করা যায়না। ভালোবাসাতো একপেশে হয়না। ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ার, থার্ড ইয়ার, ফোর্থ ইয়ার শুধুই ফিল্ড আর প্রোজেক্ট করে গেলাম, এতো কষ্ট করে আমাদের মাইন্ড সেটআপ হয়ে গেছে যে জিওলজি পড়তে হলে কষ্ট করতে হবে। কষ্টের পর সুখ আছে এটা সহজ সমীকরণ। মাস্টার্সে তিতাস পরিভ্রমণেই মনে হলো... সুখের খনি আসলেই আছে। সুখ কথাটা আপেক্ষিক। তবে অনেক পয়সা আছে। গাড়ি বাড়ি সবই আছে। কর্মস্থলের পরিবেশটাও রাজকীয়।

আমরা আমাদের কনফিডেন্স লেভেল হারিয়ে ফেলেছি। ঘুরে ফিরে সেইএকই কথা। নেতিবাচকতা। তবে তিতাস গেলে সেই হারানো সম্পদটাকে ফিরে পেতে পারেন। তিতাস, বাপেক্স, পেট্রবাংলা একান্তই আপনার সম্পত্তি মনে করবেন না। সেখানে আপনার মতই অন্য ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টরা জব করেন। যেমন, তিতাসের এমডি কমার্সের, জিএম আইনের। তবে মজার বিষয় হলো ওনারা সবাই রাজশাহী বিশ্যবিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। আর, ৫ জন জিওলজিস্টের মধ্যে ৪ জনই আমাদের ডিপার্টমেন্টের।

আমাদের বিভিন্ন স্পট ঘুরিয়ে দেখালেন ওখানকার জিওলজিস্ট, আমাদের ডিপার্টমেন্টের বড় ভাইয়া আপুরা। তাঁদের বোঝানোর স্টাইলে আপনি মন্ত্রমুগ্ধ হবেন।আমাদের যেকোনো প্রশ্নের জবাব ইনস্ট্যান্ট। জিওলজি ভাইয়াদের নখদর্পণে। অনেক ম্যাচিউর। তবে আমার মনে হয়, সপ্তাহ খানেক তত্ত্বাবধানে থাকলে আমাদেরও যে কেঊই তা ওরকম সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।

হ্যাঁ, সেই তিতাসের সোনার হরিণকে ধরতে কি করতে হবে?
=> আপ্লাই করতে হবে সার্কুলার হলে। পরীক্ষা সাধারনত নিয়ে থাকে বুয়েট। নির্বাচন পদ্ধতি- লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইভা। প্রশ্নের ধরণ-এমসিকিউ, মাঝে মধ্যে শর্ট প্রশ্নত্তর। বাংলা ইংরেজি সাধারণ জ্ঞ্যান কবর পর্যন্ত আপনাকে তাড়াবে। তবে সাধারণ জ্ঞ্যানের কিছু প্রশ্নও জিওলজি কেন্দ্রিক হতে পারে।


নিচে আমি CIL Coal Geology Question Papers, Exam 2012 CIL নমুনা স্বরূপ উপস্থাপন করলামঃ
The most abundant element in the earth’s crust is
A. Sodium
B. Potassium
C. Oxygen
D. Silicon
সঠিক উত্তর : C
Which of the following energy sources dose not come originally from the sun
A. Wind
B. Ocean thermal energy conversion
C. Geothermal
D. Hydroelectric
সঠিক উত্তর: C
Ca-montmorilloniteis formed by the chemical weathering of(A) calcite(B) augite
(C) orthoclase (D) forsterite
সঠিক উত্তর: B
In which ofthe following crystal systems, the characteristic symmetry elements “a two-foldaxis of rotation and at least two planes of symmetry” are possible?
(A) Tetragonal (B) Hexagonal
(C) Orthorhombic (D) Monoclinic
সঠিক উত্তর: C
Which one ofthe following basins is producing petroleum from the coal-rich reservoir rocks?
(A) Rajasthan Basin (B) Cambay Basin
(C) Cauvery Basin (D) Krishna–Godavari Basin
সঠিক উত্তর: B

চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?


অনেকদিন ধরে এ নিয়ে লিখবো লিখবো করে লেখা হয়না। আজ বাস্তবতার নিরিখে কিছু কথা বলবো- এ কথাগুলো শুধু আমার না, আপনার মনের ভিতরেও রয়েছে।


চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?
মানছি জিওলজির স্টুডেন্টরা বসে নেই। হা, জিওলজি ছাড়া সব জায়গায় আছে। কিন্তু ঐ জায়গাটা অত্যন্ত করুণ। ওটা ওদের জায়গা না। ব্যাঙ্ক, মার্কেটিং, কোম্পানি ইত্যাদি। অনেককেই দেখেছি কোচিং সেন্টার দিয়ে বসেছে এবং সে স্বপ্ন দেখছে এর বিস্তৃতি নিয়ে। সে ধরে নিয়েছে জিওলজি থেকে কিচ্ছু হবে না। এরকম আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে আমার কাছে।

তাহলে জিওলজি পড়ার কি দরকার ছিলো! বাংলা, সংস্কৃত, সঙ্গীত, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে পড়লেই হতো।  আমরা যখন ক্লাস আর প্রাক্টিক্যালে জর্জরিত, দুপুরে ঘুম হারাম, গভীর রাত অব্দি Assignment, Class Test এর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সকালের ঘুম না ভাঙতেই সকালের ক্লাসের অ্যালার্ম; আর ওরা ক্যাম্পাসে কিনা আয়েশি জীবন কাটাতো।
আবার বিসিএস, অন্যান্য সরকারি চাকুরিতে ওরা এগিয়ে, ঠিক গোলআলু। গোলআলু যেমন সব তরকারীতে চলে, সব চাকুরিতে ঐ হাল্কা সাবজেক্ট ওয়ালাদেরকে দেখা যায়।
আবার ওদের মুখেই আমাদের ব্যঙ্গ করতে শুনি “ভুয়া তত্ত্ব ও খালি বিদ্যা” ; সম্ভবত. আমাদের এ বেহাল দশা ওদেরকে এরকম মজা দেয়।

আজ অনার্স করতে দুই বছর অতিরিক্ত লাগছে, মাস্টার্স করতে অতিরিক্ত একবছর লাগছে। বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস ওয়ালারা হাসতে হাসতে ক্যাম্পাস ছেড়ে চাকুরিতে জোগদান করছে।
বড় লজ্জার কথা, ক্যাম্পাসে ঘুরতে লজ্জা লাগে। যাদের সাথে একসাথে ভর্তি হয়েছি তারা চলে গেছে, এখন পরিচয় দিতে হয় সেশন উল্লেখ করে, না হলে সহপাঠি- বন্ধু- জুনিয়র যে যেভাবে ভাবার সুযোগ পায়।
এলাকার লোকটি বাবাকে জিজ্ঞাসা করে, “আপনার ছেলে ফেল টেল করছে নাকি, এতো বছর লাগার কথা না ”; এ লজ্জা রাখবো কোথায়?
কর্তৃপক্ষ এর কোনো জবাব দিবে?

কৃষক পিতার অতিরিক্ত দুইবছরের জোগান দিবে, ফসলে লাভ না হলেও পিতাকে সেশন জটের সেশন ফি দিতে হয়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের শোষণের রুপান্তর নয় কি? 
এ “লগন” আদায় হলেও বিয়ের “লগন” আর আসেনা। দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ। 

শিক্ষকতা মহান পেশা, আমার পছন্দ দুটো কারণে, এক- হালাল রোজগার, সৎ- সচ্ছল জীবন যাপন, দুই- সমাজে সম্মান, মর্যাদা।
অথচ এই শিক্ষকতা পেশায় আমাদের কোনো সুযোগ নেই। নেই শিক্ষা ক্যাডারে পদ। বেসরকারি স্কুল কলেজেও নেই। দশম শিক্ষক নিবন্ধন চলছে, আমরা শুধু দেখেই যাচ্ছি।

এখন কথা হলো, স্কুল কলেজের একজন শিক্ষার্থীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, Climate Change, Earthquake, Water Quality, Environment, Disaster ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় আমার বিশ্বাস তারা সদুত্তর দিতে পারবে না। অথচ এগুলো প্রত্যেকটিই জানা শিক্ষক ছাত্রের জন্য অতীব জরুরী বলার অপেক্ষা রাখে না। এগুলো নিয়ে মাধ্যমিকের সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ভুগোল অনুচ্ছেদে যা আছে তা যতার্থ নয়। আর এগুলো কি একজন জিওলজিস্ট পড়ান?

জিওলজি মানে জীবন-মরনের প্রশ্ন। বাস্তবতা- উপেক্ষিত।

আজ ভাষাবিজ্ঞানের ছাত্র বাংলার সাথে আবেদন করতে পারছে,
রাষ্ট্রবিজ্ঞান- সামাজিক বিজ্ঞান একীভূত করে নিয়োগ হচ্ছে,
তাহলে জিওলজিকে কেন ভূগোল, মৃত্তিকাবিজ্ঞানের সাথে নিয়োগ দেয়া যায়না?
তা না হলে আলাদা পদায়নের সৃষ্টি করা হোক!

সরকারি চাকরি আজ স্বপ্ন। ভালো রেজাল্ট করার পরও আল্টিমেট কয়েকলাখে ভাগ্য নির্ধারিত হয়।। বাপেক্স, পেট্রবাংলায় কয়টা সার্কুলার হয়? যখনি শুনি পেট্রবাংলার সার্কুলার হয়েছে, তখনি মনটা আনন্দে ভরে ওঠে, কিন্তু ম্লান হতে একটু সময় বেশি লাগে না যখন দেখি কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের স্টুডেন্টের পদ বেশি।

একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সে কোথায় পড়ে। বলল, সে “ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার”; বুঝতে পারলাম ইঞ্জিনিয়ারিং পরেও তাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ার না বলার ক্ষোভ।
জীওলজি- একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিঃসন্দেহে। বুয়েটে পড়াচ্ছে, পলিটেকনিকে পড়াচ্ছে, কুয়েট, চুয়েটে পড়াচ্ছে। একি পড়া, একি সিলেবাসে আমরাও পড়ছি “জীব ও ভু বিজ্ঞান” অনুষদে। যেখানে রয়েছে উদ্ভিডবিদ্যা, প্রানি বিদ্যা...। সমস্যাতো গোড়াতেই।

অনেকেই এই বলে ক্ষান্ত হয়, রিজিক আল্লাহ যেখানেই রেখেছেন, সেখানেই সেখানেই হবে। আলবত শিওর, এটি বিশ্বাস করতে হবে, না হলে ঈমান থাকবেনা।

তাই বলে আমার অধিকার নিয়ে খেলা করার অধিকার কারো নেই।
ফেসবুক গ্রুপ পোস্ট  থেকে)

Geological Software

অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম একটা পোষ্ট দেব। দেওয়া হচ্ছিল না। ভুতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিষয়ে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু সফটওয়্যার এর নাম। এগুলো ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে পাওয়া যাবে।

আমি একটা কথা বিশ্বাস করি। শেখার জন্য চুরিতে কোন পাপ নায়। আসলে ইন্টারনেটে এগুলো ঠিকই পাওয়া যাবে তবে পাইরেটেড ভার্সনগুলো। যেগুলো ক্র্যাক বা কিজেন বা প্যাচ দিয়ে পার্সোনালী ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে কোন কোন সফটওয়্যারের দাম ৪০ লাখ টাকার উপরে। তাই পাইরেটেড কপি দিয়ে শিখতে দোষের কি? তবে কার্যকরী পাইরেটেড ভার্সন ডাউনলোড করাটাও বিশাল কঠিন কাজ। বিশেষ করে দামী সফটওয়্যারগুলো। সফটওয়্যার নামের তালিকার সাথে সবশেষে দুটো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম দিয়ে দেয়া হলো। কারন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যদি স্টুডেন্ট লাইফে শেখা থাকে তবে তার সুবিধা ভবিষ্যতে খুবই ভাল হবে।

Geologic Software:

1. Rockware Rockworks 16
2. Rockware Logplot 7
3. Schlumberger Petrel
4. Schlumberger Eclipse
5. Surfer 11

Hydrologic Software:

1. ArcHydro (ArcGIS Extension)
2. ArcHydro Groundwater 3.3 (ArcGIS & ModFlow Extension)
3. Aquaveo SMS 11.1 (Surface-water Modelling System)
4. Aquaveo GMS 9.1 (Groundwater Modelling System)
5. Aquaveo WMS 9.1 (Watershed Modelling System)
6. Schlumberger Modflow

GIS & RS Software:

1. ArcGIS 10.2 Desktop (with all Extensions)
2. MapInfo 12
3. Quantum GIS
4. Erdas Imagine 2012
5. ENVI 4.7
6. Ilwis 3.08
7. Google Earth

CAD Software:

1. AutoCAD
2. AutoCAD Map 3D
3. AutoCAD Raster Design

Programming

1. Visual Basic
2. Python
(জিওলজি এন্ড মাইনিং গ্রুপ থেকে টোটন ভাইয়ের পোস্টটি নেয়া)

"প্রজেক্টে কাজ করে আয়"

 পড়াশুনার পাশাপাশি প্রজেক্টস এ কাজ করে পেতে পারেন বাড়তি আয়। এছাড়া আপনার এই কাজটা হতে পারে ইন্টার্ণশিপ যা পরবর্তীতে থিসিস বা বিদেশে Scholarship পেতে সাহায্য করবে॥ চাকরির ক্ষেত্রে প্রায়শই কাজের অভিজ্ঞতা চায়, এক্ষেত্রে একজন ফ্রেশারের করার কিছুই থাকে না॥ আপনি অনায়াসেই আপনার সিভিতে আপনার প্রজেক্ট কাজের তথ্য উল্লেখ করতে পারেন॥



কীভাবে কাজ পাবেন: 



এই প্রতিযোগিতার যুগে কোনো কাজ পাওয়া অত সহজ নয়, বিশেষত যেখানে আপনি কাজ করে এক মাসেই আয় করতে পারেন ১৫,০০০-৪০,০০০ টাকা; সেখানে কাজ পাওয়াটা ঝক্কি বৈকী॥ তারপরও আপনি হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্র নন;কাজ আপনার চাই;তবে নিচের টিপস গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন॥


১) আপনার টিচার কিংবা সুপারভাইজারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। রাস্তা,বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন, বিদেশি প্রজেক্ট সহ অনেক কাজ সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট আসে॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাধারণত প্রজেক্টস এ কাজ পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে॥


২) আপনার ডিপার্টমেন্টর বড় ভাই যারা বিভিন্ন জিওলজিক্যাল সেক্টরে জব করছেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন॥ আপনি তাদের আগেই বলে রাখুন যে নতুন কাজ আসলে আপনাকে যেন দেয়॥



৩) মনে রাখবেন 'দক্ষতা ছাড়া সততা শক্তিহীন'। কাজেই দক্ষ হন॥ আপনি কিছু সফ্টওয়ারের কাজ শিখে নিতে পারেন।যেমন: এমএস অফিস,সার্ফার,জিআইএস,রক ওয়ার ১৫ ইত্যাদি॥ আপনাকে আর ঠেকায় কে?



৪) আপনার পরিচিত কর্মকর্তাকে বলে রাখতে পারেন যে কোনো জিওলজিক্যাল প্রজেক্টস এ আপনি কাজ করতে ইচ্ছুক। 



একাডেমিক রেজাল্ট কোনো বাঁধা না, আপনি কতটা দায়িত্ব ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে পারবেন সেটাই বিবেচ্য বিষয়। আপনার যাত্রা শুভ হোক। কাজ পেলে জানাতে ভুলবেন না॥





ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যাঃ কুইজ- ১ম পর্ব


প্রশ্নঃ হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে কোন নদীর উত্পত্তি-
উত্তরঃ পদ্মা নদী।
প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের সবচেয়েবৃহত্তম ও উচুঁ পাহাড় কোনটি?
উত্তরঃ গারো পাহাড় (ময়মনসিংহ)।
প্রশ্নঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কোন পাহাড় অবস্থিত?
উত্তরঃ চন্দ্রনাথ।

প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
উত্তরঃ তাজিন ডং (বান্দরবন)।
প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের একমাত্র জলপ্রপাত কোনটি?
উত্তরঃ মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত। (মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখায়
অবস্থিত। ২৫০ ফুট উপর থেকে পানি নিচে পড়ে।)

প্রশ্নঃ টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?

উত্তরঃ  মণিপুর 

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়  কবে? 
উত্তরঃ হরিপুরে ১৯৫৭ সালে

ভুতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা চাকরির বাজারে অবহেলিত কেন?


বাংলাদশে ভূ-তত্ত্ব নিয়ে পড়াশুনার জায়গা খুব সীমিত। অতি অল্প পরিসরে দেশের তিনটি বড়ো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে পড়ানো হচ্ছ। ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে ভূ-তত্ত্ব বষিয়ে চার বছর ও পাঁচ বছর মেয়াদী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান করা হয়। এ বষিয়ে যারা পড়াশুনা করে তাদের শিক্ষাজীবন শুরু হয় চরম হতাশার মধ্য দিয়ে। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরিয়েন্টেশন বা শুরুর দিন থেকে সংশ্লষ্টি বিভাগের শিক্ষকেরা এ বিভাগে পড়াশুনা নিয়ে ও পাশ করার পর চাকরির বাজার নিয়ে চরম হতাশার কথা শুনান। প্রথমে শুনতে খারাপ শুনা গলেওে পাশ করার পর বাস্তবতায় দখো যায় আট বছর আগে শিক্ষকদের কথা ঠিক ঠাকমতো ফলে যাচ্ছে। চাকরির বিজ্ঞাপনে কোথাও জিওলজির কোন সুযোগ রাখা হয়না। বাপেক্সে, জিএসবি, পেট্রোবাংলা, পরমানু কমিশনের নিয়োগে জিওলজির ছাত্রছাত্রীরা চাকরির সীমিত সুযোগ পেয়ে থাকে। অনেকে অনকে ভালো রেজাল্ট করেও জিওলজির ফিল্ডে চাকরি না পেয়ে বাধ্য হয়ে ব্যাংকে জব করে। যা তাদের সারাজীবনের মনোবদেনার কারণ হয়ে থাক। পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোলের ছাত্রছাত্রীদের জব মার্কেটে যতো সুযোগ আছে তা জিওলজির ক্ষেত্রে নইে। পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোলের ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার সুযোগ রয়েছে। তারা নিবন্ধন পরীক্ষায় মাধ্যমে বেসরকারী কলেজগুলোতে শিক্ষকতার সুযোগ পায়। কিন্তু জিওলজির ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষক নিবন্ধনে অংশগ্রহন করতে পারেনা। জিওলজির ছাত্রছাত্রীরা অনায়াসে পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ে পাঠদান করাতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগগুলোতে জিওলজির শিক্ষক নিতে হয়। যেখানে জিওলজির ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বভিাগে শক্ষিকতা করছে অথচ কলেজগুলোতে তারা নিবন্ধনে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। এটা এক ধরনের বৈষম্য। এ বৈষম্যের অবসান হওয়া জরুরি।

গবেষণার চারনক্ষেত্র ভূতত্ত্ব। প্রাকৃতিক সম্পদ, খনিজ সম্পদের মতো দুরুহ বিষয়ে ভূতত্ত্ববিদের অবদান স্বীকৃত। যা শিক্ষা জীবনের শুরু থকেইে খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদের আধার, ভুপ্রাকৃতিক অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান র্অজন করতে হয়। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবী নামক গ্রহটির রহস্যাবৃতে আবিষ্কার ও কসমোলজিতে ভূতত্ত্ববিদের অবদান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। কসমোলজি, আস্ট্রনোলজি জিওলজিরই অংশ। পৃথিবী উৎপত্তির গুঢ় রহস্যই জিওলজস্টিদের নিয়মিত গবষেণার বিষয়। আমাদরে মতো দেশে জিওলজির উপর পড়াশুনা করা কঠিন। যে পরিমান সুযোগ থাকার দরকার তা আমাদের দেশে নেই। তবুও স্বল্প পরিসরে জিওলজির যতোটুকু র্চচা হয় তাও পৃষ্ঠপোশকতার অভাবে বিশ্ববদ্যিালয়গুলোতে অনকে সময় সম্ভব হয়না। বাংলাদশের জিওলজিস্টদের র্ঈষনীয় সাফল্য রয়েছে। বাপেক্সের জিওলজিস্টরা এদেশের গ্যাসক্ষত্রেগুলো আবিস্কারে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর বাংলাদেশের কয়লা সম্পদের আবিষ্কারক। বালিতেও মূল্যবাণ র্অথকরী খনিজ রয়েছ এই ধারণাও জিওলজিস্টদের গবেষণার ফসলেরই অংশ যা র্বতমানে ব্যাপক র্কমপরকিল্পনা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে। কক্সবাজারের বালিতে কালো বালির উপস্থিতি দেখে একে র্অথকরী খনিজ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছিল স্বাধিনতারও কয়েক বছর আগে যা পরর্বতীতে কালো সোনা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করছে। জিওলজিস্টদেরকে অনেক জায়গায় কাজে লাগানো যেতে পার। সড়ক ও জনপথের নিজস্ব জিওলজিস্ট থাকা দরকার এবং এ সংখ্যা কোনক্রমইে প্রকৌশলীদের চেয়ে কম হওয়া উচিত নয়। মাটির গুনগত মান পরীক্ষা ও তদসংক্রান্ত প্রতিবেদন ভূকাঠামো ভিত্তিকি না হলে স্ট্রাকচার নির্মাণ কোনো কাজে আসবেনা। ইঞ্জিনিয়াররা ইঞ্জিনিয়ারিং দৃষ্টিকোণ থেকে মাটির Strength বা শক্তি পরিমাপ করে যেখানে ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ থাকা আবশ্যক কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেসব জায়গায় ভূতত্ত্বকে অবহেলা করা হয়। প্রত্যকে থানা, উপজলো ও জেলাভিত্তিকি ভূতত্ত্ববদি বা বৈজ্ঞানকি র্কমর্কতা (জিওলজি) পোস্ট সৃষ্টি করা যেতে পারে। যদি প্রতিটি উপজেলায় জিওলজিস্টদের পদায়ন করা যায় তবে একদিকে যেমন জিওলজির রুদ্ধ দ্বার উম্মুক্ত হবে অন্যদিকে সরকার এসব র্কমর্কতাদের দিয়ে উপজলো র্পযায়ে ভূ-অবকাঠামোগত গবেষণার কাজটি করিয়ে নিতে পারবে। কারণ উপজেলা র্পযায়ে সরকারি ভাবে যে পরিমান উন্নয়ন র্কমকান্ড হয় তার কোন গবেষণাধর্মী নথি সরকারের কাছে নেই, শুধুমাত্র প্রকৌশল রের্কড ছাড়া। উপজেলা র্পযায়ে যদি মৎস্য, পশুসম্পদ র্কমর্কতা, পানি উন্নয়ন র্কমর্কতা, প্রকৌশল র্কমর্কতা থাকতে পারে তবে ভূ-বজ্ঞৈানকি র্কমর্কতার কোন পোস্ট থাকবেনা কেন?
বাংলাদেশে ল্যান্ড ডেভেলপম্যান্ট কোম্পানীগুলোর পরিধি দিন দিন বাড়ছে, সরকার যদি আন্তরিক হয় তবে এসব ব্যবসায়ীদরেকে বাধ্যতামুলকভাবে জিওলজিস্ট নিয়োগ করাতে পারে। কারণ একটা জায়গা ভরাট করে সেখানে উঁচু দালান তৈরি কতোটা প্রকৃতিবান্ধব তা জিওলজিস্ট ছাড়া অন্যকেউ বলতে পারনা। কারণ নির্মাণাধীন ভবনটির ভূকাঠামোগত বৈশিষ্ট্য ও ভূকম্পন প্রবণ কিনা তা ভূতত্ত্বের কাজ। কিন্তু সেসব কোম্পানীতে ভূতত্ত্ববিদদের জন্য কোন পদায়নের ব্যবস্থা নেই। সরকার একটু উদ্যোগি হলেই এসব জায়গায় সহকারী ভূতত্ত্ববিদের পোস্ট সৃষ্টি করতে পারে। নব্য গঠিত রুপপুর পারমানবিক জ্বালানি প্রকল্পে ভূতত্ত্ববিদের অধিকসংখ্যক পোস্ট সৃষ্টি প্রয়োজন। কেননা পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলা এখন একটি চ্যালেঞ্জ যা ভূতত্ত্ববিদ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আর কেউ নিতে পারবেনা। নদী গবষেণা ইন্সটিটিউটে কোন জিওলজিস্ট নিয়োগ দেয়া হয়না। নদী নিয়ে জিওলজিস্টদের যে পরিমাণ ব্যবহারিক জ্ঞান আহরণ করতে হয় তা অন্যকোন বিষয়ের কাউকে করতে হয়না। কারণ জিওলজির সঙ্গে নদীর সর্ম্পক সুগভীর। নদীর উৎসের সঙ্গে ভূত্বকের গঠন আকৃতির সর্ম্পক ওতোপ্রোতভাবে জড়তি। নদীর বহন করা পলি ও তা জমাট করার প্রকৃতি এর্ দুভদ্যে জটিল সমীকরন ভূতত্ত্বে যতোটা সাবলীল অন্যকোথাও তা ক্রমশ জটিল বিষয়। অতচ নদী গবষেণা ইন্সটটিউিটে জিওলজিস্টদের পদায়ন করা হয়না। বিআইডাব্লিউটি এ জিওলজিস্টদের জন্য কোন পোস্ট নেই। কেন নৌপথে কি জিওলজিস্টরা কাজ করতে পারেনা? নদীর ড্রাফট রক্ষণাবেক্ষনে জিওলজিস্টদের নিয়োগ দিয়ে দেখুন কতো ভালো কাজ করতে পারে ওরা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে জিওলজিস্ট নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র স্পারসোতে জিওলজি ডিপার্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও সেখানে কোনো জিওলজিস্ট নাই। অত্যন্ত এমন দৃশ্য দেখা যাবেনা যে, ব্রীজ আছে রাস্তা নেই বা রাস্তা আছে কালর্ভাট নেই ফলে র্বষাকালে রাস্তা কেটে পানি প্রবশ্যতার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। আসলে প্লানিংয়ের অভাবে যেপরমানে সরকারি র্অথের অপচয় হয় তা নিরসনে জিওলজিস্টরা মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। যেকোনো কাজ করার আগে যদি প্রাকসম্ভাব্যতার যাচাইয়ের কাজটি জিওলজিস্টদের দিয়ে করানো যায় তবে সরকার তার বাজেটের অনেক টাকা অপচয়ের হাত থেকে বাচাঁতে পারবে।যা দিয়ে জিওলজিস্টদের বেতন ভাতা মেটানো যাবে জিওলজিস্টদের জন্য আলাদা বরাদ্দের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সরকারের উদ্যোগ নেয়ার মতো সুদৃষ্টি।
তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রি আপনি জিওলজিস্টদের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষপে গ্রহণ করুন। সরকারী চাকুরিতে তাদের জন্য পদ সৃষ্টি করুন। তাদের র্কমসংস্থানে দেশের জন্য লাভ হব। টেকেনক্যিাল লোকদের নন-টেকেনিক্যাল কাজে ব্যবহার করে দেশ কিন্তু মেধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই দেশের র্স্বাথে সঠিক লোকদেরকে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করতে হবে। তাতেই দেশের প্রকৃত মঙ্গল অন্তর্নিহিত রয়েছে।