MS 508 GW Modelling; Practical

Problem-1: MS 508 GW Modelling; Practical:SR



সমাধানঃ মান বের করতে হবেঃ 
১। সর্ববামের কলাম লক্ষ্য করো । মান দেয়া আছে, 10.00, 9.88, 9.78.............9.48 । 

২। যেকোনো একটি মানের উপর ক্লিক করো। উদাহরণস্বরূপ 9.48 এর উপর ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মত এক্সেলের বার এ একটি সুত্র প্রদর্শিত হবে। 



৩। সুত্রটি হলোঃ (2*D37+2*E39+$B$17)/4 ; 

এখানে, D37= 9.49; E39=9.49; $B$17= -0.022;
ভ্যালুগুলো ক্যালকুলেশন করলে আমরা D39=9.48 পেয়ে যাবো। 

তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, কোনো ভ্যালু বের করতে আমাদের ৩ টি মান লাগছে। এই সুত্রটি মনে রাখলে বামদিকের কলামের যেকোনো সেলের মান এভাবে সহজেই বের করতে পারবো। 

  • সেলিম স্যারের প্রাক্টিক্যাল প্রবলেম টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করো 

অ্যানাগ্রাম (Anagram)

“জিওলজি ইজ বেরি পানি অর আই ওয়ান্ট টু মেইক পানি জিওলজি”

জিওলজি মানে মাটি আর পানি না, আমি বলতেও চাইনি এটা পানির মত সহজ।

একটু অনন্ত জলিল কিংবা পুরাণ ঢাকার স্টাইলে কথা বললাম আর কী?

“Geology is Very Funny or I want to make Funny 
Geology”


অনেকদিন ধরে ফান করিনা কারণ “My Legion Going” .

মানে আমার সঙ্গী সারথিরা চলে যাওয়ার পথে। তাই একটু কাইন্দা লইলাম।

চলে যাওয়ার সময় অটোমেটিক পানি বের হয়, চোখ দিয়ে। “The pet 

think as stereotypes”. এটা আমাদের ঐতিহ্য।

এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন, কী কথা বলার জন্য এতো অবতারণা।

না, বিদায় না, এটা হলো “এনাগ্রাম”(Anagram) ।

উপরে ২ টি বাক্য উল্লেখ করেছি।

একটি “My Legion Going”। এই বাক্যটিকে উলট পালট করে সাজান 

হবে “Geology & Mining”

আরেকটি বাক্য “The pet think as stereotypes” এটাকে 

সাজালে হবে জিওলজির একটা বিখ্যাত স্বতঃসিদ্ধান্ত “Present is the 

key to the past” .

সুতরাং বুঝতে পেরেছেন “এনাগ্রাম” কি?

অ্যানাগ্রাম (Anagram) এক ধরণের শব্দের খেলা (word play)।কোন 

শব্দ বা বাক্যের অক্ষরগুলোকে যদি বিভিন্নভাবে বিন্যস্ত করার পর আরেকটি 

অর্থপূর্ণ শব্দ বা বাক্য পাওয়া যায়, তবে তাকে অ্যানাগ্রাম বলে।

যেমনঃ orchestra শব্দটির অক্ষরগুলোকে পুনর্বিন্যাস করলে দাড়ায় 

carthorse। listen হয় silent।এভাবে হাজার হাজার অ্যানাগ্রাম 

বানানো যায় এবং বানানো হচ্ছে। কিন্তু এখানে এমন কিছু অ্যানাগ্রামের 

কথা আলোচনা করবো যেগুলো পরস্পর কমবেশি অর্থপূর্ণ। 

উদাহরণস্বরূপঃ

THE EARTHQUAKES: = THAT QUEER SHAKE

Debit card = Bad credit

Dormitory = Dirty room

Statue of Liberty = Built to stay free

A gentleman = Elegant man

Comfort is = Microsoft

The meaning of life = The fine game of nil

অ্যানাগ্রাম হতে পারে মূল শব্দের সমার্থক বা বিপরীত, প্যারডি, 

সমালোচনা, প্রশংসাসূচক বা যেকোন অর্থবোধক শব্দ। একটা মজার 

উদাহরণ- William Shakespeare = I am a weakish speller

অ্যানাগ্রাম সমাধানে capital letter বা small letter কোন গুরুত্বপূর্ণ 

বিষয় না। এমনকি সুবিধামত কিছু যতি চিহ্নও অনেক সময় ব্যবহার করা 

হয়। উদাহরণস্বরূপঃ

1. Mother-in-law = Woman Hitler (!!!)

2. The Titanic disaster = Death, it starts in ice

3. A decimal point = I’m a dot in place

4. Achievements = Nice, save them


সাহিত্যে অ্যানাগ্রাম প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়েছে। অল্প কয়েকটা 

উদাহরণ দিই-

1. বিখ্যাত লেখিকা জে. কে. রাউলিং তার দ্বিতীয় বই Harry 

Potter and the Chamber of Secrets-এ একটা 

অ্যানাগ্রাম ব্যবহার করেছেন।

TOM MARVOLO RIDDLE = I AM LORD VOLDEMORT

2. হার্ভার্ডের প্রফেসর ও ঔপন্যাসিক ড্যান ব্রাউনের The Da Vinci 

Code– এ কতগুলো অ্যানাগ্রাম পাওয়া যায়। 

যেমনঃ O, Draconian devil = Leonardo Da Vinci Oh, 

lame saint = The Mona Lisa

So dark the con of man = Madonna of the Rocks

এছাড়া কিছু উৎসাহী মানুষ যাদের অ্যানাগ্রামাটিস্ট (Anagrammatist) 

বলে তারা কিছু সাহিত্যিক চরিত্রের অ্যানাগ্রাম বের করেন। এই যেমন-

1. Senator Palpatine = Parasite on planet

Star Wars মুভি সিরিজের এক ছদ্মবেশী খলনায়ক।

2. Ronald Weasley = Lose wand early

হ্যারি পটার সিরিজের অন্যতম চরিত্র যে কিনা রাউলিং-এর দ্বিতীয় গল্পে তার জাদুদণ্ড ভেঙে ফেলে। এছাড়া

3. Minerva McGonagall = Call governing ma’am

পটারের সেই জাঁদরেল অধ্যাপিকা।

4. Wormtail = I’m low rat

হ্যারির বাবার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু পিটার পেটিগ্রু যে অ্যানিম্যাগাস হিসেবে 

ইঁদুর হতে পারতো।

বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের নাম দিয়েও অ্যানাগ্রাম করা হয়েছে।

1. Princess Diana = End is a car spin

2. Nicolaus Copernicus = Our sun’s iconic place

3. George W Bush = He grew bogus

4. Antoine Lavoisier = Ion is a revelation

5. Adolf Hitler = A dirt of hell

অথবা A. Hitler = The liar

6. Barack Hussein Obama, President of the United 

States of America,(=) “I make a nation free after 

Bush’s undemocratic bias as the despot.”

এবার বিস্ময়কর কিছু অ্যানাগ্রাম-

The eyes = They see

Eleven + two = Twelve + one = 13

PRESBYTERIAN:= BEST IN PRAYER

ASTRONOMER: = MOON STARER

DESPERATION: = A ROPE ENDS IT

THE MORSE CODE: = HERE COME DOTS

SLOT MACHINES: = CASH LOST IN ME

ANIMOSITY: = IS NO AMITY

A DECIMAL POINT:= I'M A DOT IN PLACE

ELEVEN PLUS TWO:= TWELVE PLUS ONE

সবশেষে,

কিছু নামঃ Tanzir Ahmed= zenith drama/ hazard in met/ it hazard men

Al Kausar Sourav= our ark as lava us

আমার নাম 'Sumon Rahman'= 'Human ransom.'

এবার নিজের নামেরটা চেষ্টা করো দেখি !

ইজতেমায়ী ও ইনফেরাদী ১৬ আমল


আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার পর কেউ যদি নিজেকে ইজতেমায়ী (সম্মিলিত) ও ইনফিরাদী (ব্যক্তিগত) মোট ১৬টি আমলে পুরোপুরি ইহতিমামের সঙ্গে জুড়ে রাখে। তবে তার পুরো সময়টাই কাজে লাগবে এবং ফায়দাজনক হবে। কাজেই এখানে ইজতেমায়ী ও ইনফিরাদী মোট ১৬টি আমল তুলে ধরা হলো।
ইনফিরাদী আমল ৮টি। যথা-
1.  প্রতিদিন কমপক্ষে এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা,
2.   প্রতিদিন একটি হাদিস মুখস্ত করা এবং তার অর্থের মধ্যে চিন্তা-ফিকির করা,
3.   প্রতিদিন একটি করে মাসনূন দোআ মুখস্ত করা,
4.   তাহাজ্জুদ, ইশরাকসহ বেশি বেশি নফল নামাজ পড়ার চেষ্টা করা,
5.  প্রতিদিন খুব কাকুতি মিনতি করে আল্লাহর কাছে দীর্ঘ সময় দোয়া করা,
6.  সাথী ভাইদের খেদমত করা,
7.  সকাল-বিকাল তিন তাসবিহ আদায় করা,
8.   দৈনন্দিন ২৫ বার দাওয়াত দেয়া।
ইজতেমায়ী আমল ৮টি
1.   মাশওয়ারা বা পরামর্শ,
2.  সফর,
3.  পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ নামাজ,
4.   পানাহার,
5.   কিতাবের তালিম,
6.   ঘুম,
7.   উমুমি গাশত,
8.   মুজাকারা।

“মুঠোফোনে মাইনিং / লাইফ শাইনিং”

যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার নিত্যসঙ্গী কে? স্বভাবতই উত্তর আসবে- মুঠোফোন; (কী! আপনি কি মনে করেছিলেন!) হ্যাঁ, আপনার হাতের সেলফোনটি, শুয়ে, বসে, চলতে-ফিরতে, ক্লাসে, রিক্সা-বাসে সর্বত্র সবসময় এমনকি মসজিদেও (নামাজরত অবস্থায় অনেকেই ভুলে যায় এটি সুইচ অফ করতে) আপনার এই যান্ত্রিক ডিভাইসটি ছাড়া চলেনা, আর তাই যে যেভাবে পারছে এটাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়িক ফায়দা লুটে নেয়ার ফন্দি আটছে; আবার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এর প্রয়োজনিয়তাও বাড়ছে, বাড়ছে প্রায়গিকতা; জাভা, সিম্বিয়ানের পর এখন আণ্ড্রয়েড, উইন্ডোজ সবার হাতে হাতে; দামেও সস্তা, পাঁচ ছয়েই পাওয়া যায়; 



          রুচি, বৈচিত্র্য, ভিন্নতা ইত্যাদির পরও একটি স্মার্টফোন একজন  শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার অন্যতম উপকরণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না; আর শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ডেভেলপ হচ্ছে নিত্যনতুন Apps. আমি আন্ড্রয়েডের উপর কথা বলবো; কেনোনা এই ইউজারের সংখ্যা বেশি;

            মোবাইল এপ্লিকেশনের বিশাল একটা গুদামঘর- গুগল প্লে এপ স্টোর ; এখানে এবং অনলাইনে অন্যান্য সাইটে তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম মাইনিং এর কিছু Apps; পেয়েছি অনেক Apps (সবার শেষে সকল আপসের ডাউনলোড লিঙ্ক); কিন্তু যা খুঁজেছি তা পাইনি;

  "বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮ নীল পদ্ম";

না, ১০৮ টার দরকার নেই, একটা হলেই চলতো;

আইডিয়া এন্ড লাভাঃ

  আমি খুঁজেছিলাম, বাংলাদেশের জিওলজির আপস; বাংলাদেশের জিওলজি নিয়ে কোনো আপস নেই; অথচ লোকাল জিওলজি নিয়ে অনেক অনেক আপস রয়েছে, এবং তা মার্কিন মুলক কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের; আছে টাইমস্কেল, জিওলজিক্যাল ডিকশনারি, হাইড্রলজি, লগিং, রক মিনারেল কুইজ ইত্যাদির উপর অনেক আপস যার ডাউনলোড লিঙ্ক আমি এই পোস্টের শেষে দিয়ে দিয়েছি;

            তাহলে যেহেতু এই Apps টা আমার দরকার, এবং সম্ভবত সবার প্রয়োজন এবং সেটি নাই, সুতরাং এই আপসটি আমাকে বানাতে হবে;

প্লানিং, দেন ড্রিলিং:

   আমার একটা টিম লাগবে; ৫-৬ জনের, সবাই জিওলজির পোলা, যারা Java, C, C++, Graphic Design জানো তারা আমার সাথে অতিসত্বর যোগাযোগ করো; যারা মনে করছ, আগামী এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে  বেসিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবে তারাও ওয়েলকাম; কাজ করবো ধীরে ধীরে; Slow & Steady wins the race.

আর হ্যাঁ আমাদের টিমের একটা সুন্দর নাম লাগবে, যার নামটা সুন্দর হবে এবং সেলেক্টেড হবে তাকে আমাদের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে;

ক্যান লাগবে, ক্লাসে কি বাংলাদেশ জিওলজি পড়ায় নাই??: 

          পড়িয়েছে, ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ার; এখনও কিছু কিছু পড়তে হয়, কিন্তু ভুলোমন, ভুলে যাই;  কিচ্ছু মনে থাকে না; আসলে আমরা পড়িতো পাস করার জন্য, কোনোমতে পরীক্ষার খাতায় উদগীরণ করতে পারলেই হলো, ব্যস, কেল্লাফতে; তারপর সেই চটিনোট গুলোর অপেক্ষায় বসে থাকে অনুজরা, দিন গুনতে কবে ভাইয়াদের ভাইভা শেষ হয়; বাংলাদেশের জিওলজি চলে যায় ছোটদের হাতে, এভাবে ক্রমানুসারে  চলতে থাকে একটা জিওলজিক সাইকেল, হাজার বছর ধরে চলার রীতি এটাই;  

            বাংলাদেশের জিওলজি আর নখদর্পণে থাকেনা, মনোদর্পণেও না, তাই ভালো বুদ্ধি হলো মোবাইল দর্পণে রাখা (Apps); :)

আরো কিছু কেসস্টাডি তুলে ধরছিঃ (ঘটনাসমূহ বাস্তব কিন্তু চরিত্র কাল্পনিক )


কেসস্টাডি- ২: পরিক্ষা দিয়ে ট্রেডিশনাল নোট তো দিয়ে দিলাম, এখন রুমে আছে বই; এফ এইচ খানের Geology of Bangladesh; তবে বই আর খুলে দেখা হয়না, ইচ্ছে হয়না, ভুলভাল, কুচিয়ার ঠ্যাং, ব্যাঙ্গের ঠ্যাং হরেক রকম নোট পড়তে পড়তে অভ্যস্ত বইয়ের সুন্দর অক্ষরগুলো অস্বাভাবিক মনে হয়; তারপরো অনেকদিন পর যখন বইটা হাতে নিবো তখনেই রাশেদের আগমন; রাশেদ মানে আমার বন্ধু রাশেদ; ও এসে এভাবে টিজ করবে, খুব পরছো, পড়ো পড়ো……. জানি তো,তারপর বন্ধুদের মাঝে আমি খুব পড়ুয়া ছেলে বলে রটিয়ে দিয়ে আত্মপ্রসাদ লাভ করবে, শেষে পড়াটাই আর হলনা এই পড়ুয়ার;


কেসস্টাডি- ৩: আপনি বাস কিংবা ট্রেন জার্নি করে বাসায় যাচ্ছেন, আপনার পাশের ভদ্রলোকটি পত্রিকা পড়ছেন  কিংবা এলাকার কমরুদ্দিন চাচা চা স্টলে বসে চা খাচ্ছেন আর পুরু চশমার ফাঁক দিয়ে পত্রিকা পড়ছেন, পত্রিকার খবর “উন্মুক্ত খনি এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির লংমার্চ;” চাচা গল্পপ্রিয়, বৃদ্ধ মানুষ গল্প করার লোক পান না; আপনি ছুটিতে গেছেন,আর চাচার সাথে দেখা, উনি জানেন আপনি খনি নিয়ে পড়েন, গল্প করার জন্যতো আপনারই দরকার; শুরু হলো গল্প, এখন বাংলাদেশের জিওলজিকে পাশ কাটিয়ে যাবেন কি করে? বেয়াদবি হবে মনে করে হয়তো চাচার কাছ থেকে ব্যস্ত আছি বলে উঠে যাবেন না; কিন্তু টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছেন, তা ছেড়েতো আপনি উঠে যাবেন না, তাহলে বাংলাদেশের জিওলজি আপনাকে জানতে হবে, আপনি জিওলজির চাকরি করেন আর না করেন;



কেসস্টাডি- ৪: ছুটিতে বাসায় গিয়ে রেহাই নাই; ছোটো ভাইটিকে পড়াচ্ছেন, সামাজিক বিজ্ঞান বোঝে, কিন্তু এর মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া ভূগোল অংশটুকু বোঝেনা; বোঝে না শিলা কি, চ্যুতি, উপত্যক, মালভূমি (কেনো যে এগুলো বাংলা করেছে, ইংরেজিটাই তো সহজ ছিলো); ছোটদের মনের মধ্যে অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, একটার পর একটা তৈরি হতে থাকে, এবং একটা সময় বাংলাদেশের জিওলজিতেও হাত দিবে ওগুলোর উত্তর দিবেন, গোঁজামিল দিবেন,  নাকি ঝাড়ি মেরে বলবেন “আসল পড়া কর” ; আমার ছোটটা বেশি দুষ্টু, উত্তর সন্তোষজনক না হলে মুখে বলেই দেয়, “ভাইয়া পারে না” ;



সুতরাং আপনাকে আপস লাগবে, বই সাথেতো নিয়ে যাবেন না সব জায়গায়; এক্ষেত্রে আপনি মনে করতে পারেন, একটা আপসে কতটুকু তথ্য আর থাকবে; আমাজান ডট কমে  F.H. Khan এর  Geology of Bangladesh বইখানার দাম ১৪৪ ডলার; (ডাউনলোডঃ http://www.amazon.com/Geology-Bangladesh-F-H-Khan/dp/8122402763 )গুনতে হবে, এরকম ৪-৫ টা বই একটা ছোট আপসে উপস্থাপন সম্ভব যা একেবারেই বিনামুল্যে;

কেসস্টাডি- ৫: আপনি ব্যাঙ্কের ভাইভা দিতে যাচ্ছেন, আর মনে মনে ভাবছেন, যাক বাবা, চাকরিটা হলে অনেক কিছু (!) থেকে রেহাই পাবো! কিন্তু ভাইভা বোর্ডে আপনাকে জিওলজির ছাত্র হিসেবে ঝালিয়ে নেয়ার জন্য বাংলাদেশের জিওলজি বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো; এক্ষেত্রে আপনার বলার কোনো অধিকার নাই, আমিতো ব্যাঙ্কের ভাইভা দিতে আসছি, জিওলজির না; কেনোনা, ভাইভার কোনোপ্রকার সিলেবাস নাই, আপনাকে নাচাবে, তারপর চিন্তা করবে চাকরি আপনাকে দেয়া যায় কিনা যদি আল্লাহ সহায় হোন;

যাইহোক ভাইভা দেয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ততো আপনি আপনার ফোনটিতে আমাদের Geology of Bangladesh Apps টি পড়ে প্রস্তুতি নিতে পারবেন!

          এরকম আরো অনেক উদাহরণ আছে যা এই স্বল্প পরিসরে তুলে ধরা অসম্ভব;



এপস দেন, চালায় দেখিঃ

  এখানে কিছু জিওলজিক্যাল আপস দিলাম ডাউনলোড লিঙ্ক সহ; এগুলো আপনার এন্ড্রয়েড চালিত ফোনে ইন্সটল করে ব্যবহার করুন; উল্লেখ্য এগুলোর মধ্যে কিছু ফ্রি, আবার কিছু পেইড আপস আছে; পেইডগুলোর দাম কিন্তু খুব বেশি না, .50-1.70 ডলার এর মধ্যে;

ফ্রি এপ্সঃ 











পেইড এপ্সঃ 

Glossary of Mining & Geology: (1.68) 4 rat:-https://play.google.com/store/apps/details?id=com.colakey.T07.mining






পরিশেষে, সকলকে ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য, আমার জন্য দোয়া করবেন; আর এই সাইটে www.gmru.blogspot.com  ভিজিট করুন মাঝে মাঝে, আপডেট অনেক তথ্য পাবেন ; খোদা হাফেজ; 

A Good Geology Movie


There are plenty of movies that come out of Hollywood that we consider atrocious because of their geology related story lines. 
However, what would you consider to be a good geology movie?
I have one for you. And it may seem like it’s out of left field.
The Shawshank Redemption.


While geology is only discussed a few times in the film, it becomes a key piece to the underlying story – starting with Andy receiving the rock hammer. And maybe that’s why it’s such a good geology movie – because it really isn’t about geology.
Anyway, if you have never seen it, I recommend that you check it out! Here is the trailer.


Thanks for visiting the blog, Tell your friend to visit the blog; Any suggestion of this blog please contact/message me in fb. 

তিতাস থেকে ফিরেঃ অভিজ্ঞতা ও একটি প্রশ্নপত্রের ড্রিলিং

এতদিন যারা তিতাসের নাম শুনলেই হাপিত্যেশ করেছিলো, তিতাস ঘুরে এসে সে হতাশা কেটে গেছে আশাকরি। তবে নতুন করে কিছু প্রশ্নও দানা বেঁধেছে। আমাদের অনেকেই আছে, যারা শুধু স্রেফ এতো টুকুই জানি, জিওলজি পড়লে তিতাস, পেট্রোবাংলায় চাকরি করা যায়। কিন্তু জন্মেও তিতাস, পেট্রোবাংলার উঠোনে পা দেইনি। আজ যখন পা দিলাম তখন অনেকটা দেরীতে। ইশ! অনেক আগে ঘুরে যেতে পারলে কাজ হতো। কি কাজ হতো! আশা বাঁধতাম, স্বপ্ন দেখতাম, রেজাল্ট অনেক ভালো করতাম, একটা সম্পর্ক তৈরি হতো ইত্যাদি। হাপিত্যেশটা এখানেই।
আর যারা জিওলজিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে তাদের কথা ভিন্ন।


এখন কথা হলো, লোভ খুব গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশুনার জন্য চাকরির জন্য একটা Passion থাকা দরকার। টান অনুভব না হলে ভালো করা যায়না। ভালোবাসাতো একপেশে হয়না। ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ার, থার্ড ইয়ার, ফোর্থ ইয়ার শুধুই ফিল্ড আর প্রোজেক্ট করে গেলাম, এতো কষ্ট করে আমাদের মাইন্ড সেটআপ হয়ে গেছে যে জিওলজি পড়তে হলে কষ্ট করতে হবে। কষ্টের পর সুখ আছে এটা সহজ সমীকরণ। মাস্টার্সে তিতাস পরিভ্রমণেই মনে হলো... সুখের খনি আসলেই আছে। সুখ কথাটা আপেক্ষিক। তবে অনেক পয়সা আছে। গাড়ি বাড়ি সবই আছে। কর্মস্থলের পরিবেশটাও রাজকীয়।

আমরা আমাদের কনফিডেন্স লেভেল হারিয়ে ফেলেছি। ঘুরে ফিরে সেইএকই কথা। নেতিবাচকতা। তবে তিতাস গেলে সেই হারানো সম্পদটাকে ফিরে পেতে পারেন। তিতাস, বাপেক্স, পেট্রবাংলা একান্তই আপনার সম্পত্তি মনে করবেন না। সেখানে আপনার মতই অন্য ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টরা জব করেন। যেমন, তিতাসের এমডি কমার্সের, জিএম আইনের। তবে মজার বিষয় হলো ওনারা সবাই রাজশাহী বিশ্যবিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। আর, ৫ জন জিওলজিস্টের মধ্যে ৪ জনই আমাদের ডিপার্টমেন্টের।

আমাদের বিভিন্ন স্পট ঘুরিয়ে দেখালেন ওখানকার জিওলজিস্ট, আমাদের ডিপার্টমেন্টের বড় ভাইয়া আপুরা। তাঁদের বোঝানোর স্টাইলে আপনি মন্ত্রমুগ্ধ হবেন।আমাদের যেকোনো প্রশ্নের জবাব ইনস্ট্যান্ট। জিওলজি ভাইয়াদের নখদর্পণে। অনেক ম্যাচিউর। তবে আমার মনে হয়, সপ্তাহ খানেক তত্ত্বাবধানে থাকলে আমাদেরও যে কেঊই তা ওরকম সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।

হ্যাঁ, সেই তিতাসের সোনার হরিণকে ধরতে কি করতে হবে?
=> আপ্লাই করতে হবে সার্কুলার হলে। পরীক্ষা সাধারনত নিয়ে থাকে বুয়েট। নির্বাচন পদ্ধতি- লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইভা। প্রশ্নের ধরণ-এমসিকিউ, মাঝে মধ্যে শর্ট প্রশ্নত্তর। বাংলা ইংরেজি সাধারণ জ্ঞ্যান কবর পর্যন্ত আপনাকে তাড়াবে। তবে সাধারণ জ্ঞ্যানের কিছু প্রশ্নও জিওলজি কেন্দ্রিক হতে পারে।


নিচে আমি CIL Coal Geology Question Papers, Exam 2012 CIL নমুনা স্বরূপ উপস্থাপন করলামঃ
The most abundant element in the earth’s crust is
A. Sodium
B. Potassium
C. Oxygen
D. Silicon
সঠিক উত্তর : C
Which of the following energy sources dose not come originally from the sun
A. Wind
B. Ocean thermal energy conversion
C. Geothermal
D. Hydroelectric
সঠিক উত্তর: C
Ca-montmorilloniteis formed by the chemical weathering of(A) calcite(B) augite
(C) orthoclase (D) forsterite
সঠিক উত্তর: B
In which ofthe following crystal systems, the characteristic symmetry elements “a two-foldaxis of rotation and at least two planes of symmetry” are possible?
(A) Tetragonal (B) Hexagonal
(C) Orthorhombic (D) Monoclinic
সঠিক উত্তর: C
Which one ofthe following basins is producing petroleum from the coal-rich reservoir rocks?
(A) Rajasthan Basin (B) Cambay Basin
(C) Cauvery Basin (D) Krishna–Godavari Basin
সঠিক উত্তর: B

ট্যুরে যাওয়ার আগে (না পড়লে পস্তাইবে)


আমরা আমাদের যে কোনো কাজকে উপভোগ্য করতে পারিনা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাবে। তাই আমি এবার কিছু টিপস দিবো যা সফরকে করবে অনাবিল আনন্দময় এবং ক্লান্তিহীন ।

আমার বিশ্বাস, আমি এ পর্যন্ত যতগুলো সফর করেছি কেউ এতগুলো করেনি। স্বভাবতই অভিজ্ঞতার ঝুলিটা একটু বড়।
এই সফরের মধ্যে ছিলো...
  • Short journey
  • Long Journey
  • বিয়ে বাড়ির নেমন্তন্ন
  • দুরের আত্মীয় স্বজনের বাড়ি
  • এক দিনের যাতায়াত
  • দুই দিনের যাতায়াত
  • তিন দিনের সফর
  • ৫ দিন, ৭ দিনের সফর
  • ১ চিল্লা মানে ৪০ দিনের সফর
  • তিন চিল্লা মানে ১২০ দিনের সফর
  • চাকুরির পরীক্ষা
  • ক্লাব ভিজিট
  • পিকনিক
  • ট্রেনিং/ ওয়ার্কশপ
  • শিক্ষা সফর সমগ্র
  • পুরষ্কার গ্রহণ ইত্যাদি।
সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, আমার বাংলাদেশ চষে বেড়ানোর অভিজ্ঞতার আলোকে কিভাবে আমরা আমাদের তিতাস ট্যুর উপভোগ্য করতে পারি তা বলবো।
আমাদের এ ট্যুর যাওয়া- আসা+ মাঝে একদিন।

প্রথমেই আমি বলবো একটা লিস্ট করতে। তাহলে লিস্ট শুরু হয়ে যাক। ।
  1. ব্যাকপ্যাক ।
  2. দুই সেট পরিস্কার পরিধেয় বস্ত্র। (একটা রাফ ইউজ, একটা ফর্মাল)
  3. মানিব্যাগ/ পার্স (টাকাসহ- অনেকেকেই দেখেছি মানিব্যাগ/পার্স আছে কিন্তু টাকা-পয়সা নাই)
  4. মোবাইল (নিত্যসঙ্গি)
  5. আইডি কার্ড
  6. ঘড়ি (নষ্ট হলেও সমস্যা নেই;জাস্ট স্টাইল;  সময় দেখে কয়জনে, মোবাইল আছে না)
  7. রুমাল (ভদ্রতা)
  8. চশমা/সানগ্লাস (একটা চোখের , একটা মাথার )
  9. হাল্কা গামছা (হাত মুখ ধুয়ে কোথায় খুঁজবে )
  10. ব্রাশ-টুথপেস্ট (একদিন হলেও লাগবে)
  11. ওষুধ-পত্র (লাগবে)
  12. ছাতা/হ্যাট (হ্যাটে কি আর রোদ থেকে বাঁচা যায়, সম্ভব হলে ছাতা নাও)
  13. নোটপ্যাড+কলম (ডিজিটাল নোটপ্যাড রাখতে পারো, কলম লাগবে না। এক্সট্রা কলম নিও যদি কালি শেষ হয়... হি... হি... )
  14. হাল্কা খাবার (এটাও নাগবে... আশা কইরোনা... )
  15. পানির পট (লুকিয়ে রাখবা)
  16. টিস্যুপেপার (নো কমেন্টস)
  17. আয়না-চিরুনি (ছেলেরাও রাখতে পারো... )
  18. মাস্ক (ধুলোবালূ থেকে রক্ষার জন্য)
  19. একটি চাদর/ শীতের কাপর
  20. ক্যামেরা (সবার পক্ষ থেকে কমপক্ষে একটা )
তো , আমাদের লিস্ট হয়ে গেলো। এখন যা করনীয়-
  1. আগেই কনফার্ম হওয়া যে গাড়ি ছেড়ে দিবে কয়টায়। এ অনুযায়ী প্রস্তুত হওয়া।
  2. সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া। (তাই বলে আগে সিট নেয়ার জন্য সকালে যাওয়ার দরকার নেই{ফান})
  3. জার্নিতে পড়তে হয় রাফ/ইজি কাপর। কেনোনা, বাসে উঠাবসা, বাসের ধুলোবালূতে ভালো কাপর ভালো থাকে না। যদি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, বাস থেকে নামার পর কাপর চেঞ্জ করার যথেষ্ট সময় ও পরিবেশ দেয় তাহলে ইজি কাপর পরাই ভালো, নচেৎ ফাইনাল কাপর পড়া। মেয়েরা রাফ কাপর হিসেবে বোরকা ইউজ করতে পারে।
  4. ব্যাকপাকে লিস্টেড জিনিসগুলো রাখা। 
  5. গাড়িতে রাতে এবং ভোরের দিকে ঠাণ্ডা লাগতে পারে। এজন্য একটি চাদর বা ব্লেজার রাখা। 
  6. অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছে, সেই প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো রাখা। আবার অনেকে জার্নিতে বিভিন্ন সমস্যা হয়, এধরনের ওষুধও রাখা।
    যেমনঃ মেট্রো গ্রুপ, প্যারাসিটামল গ্রুপ।
  7. অনেকেই vomit করে, এজন্য রাখতে পারে Polythene.

সব কিছু ঠিক থাকলেও একটা জায়গায় একটু সমস্যাতো সকলেই ফেস করে। আর তা হলো সামনে আসন নেয়ার ব্যাপারে। এটা শুধু আমাদের সমস্যা না। এটি জাতীয় সমস্যা। সংসদেও সামনে আসন না পেলে ওয়াক-আউট হয়। আর আমাদেরতো স্বাভাবিক।

আমার মাথা ঘোরে, আমার বমি হয়, আমার বুক ধরপর করে, আমার পাঁজরে ব্যাথা কত্ত অজুহাত সামনে বসার জন্য। এর কোনোটা সত্যি হলেও কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়।

আমরা এ সমস্যা নিরসনে একটা সহজ উপায় অবলম্বন করতে পারি। এতে সকলেই সমান সুযোগ পাবে। আর তা হলো লটারির ব্যবস্থা করা
এতে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেনা। আবার ফিরে আসার সময় হবে Reverse. অর্থাৎ আসার দিন সামনে যারা বসেছিলো তারা বসবে পিছনে। তাহলে সবাই সমান অধিকার পেলো।

তবে এখানে আরেকটা কথা থেকে যায়। আমরা তো মেয়েদের সামনেই বসার সুযোগ দিবো, কিন্তু যখনেই সমান অধিকারের প্রশ্ন আসে তারাও লটারির মধ্যে চলে আসে। সমানাধিকার তত্ত্ব এরকম অনেক জায়গাই ফেল মারে।

অন্যান্য পোস্টঃ
চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?
তিতাস থেকে ফিরেঃ অভিজ্ঞতা ও একটি প্রশ্নপত্রের ড্রিলিং

চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?


অনেকদিন ধরে এ নিয়ে লিখবো লিখবো করে লেখা হয়না। আজ বাস্তবতার নিরিখে কিছু কথা বলবো- এ কথাগুলো শুধু আমার না, আপনার মনের ভিতরেও রয়েছে।


চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?
মানছি জিওলজির স্টুডেন্টরা বসে নেই। হা, জিওলজি ছাড়া সব জায়গায় আছে। কিন্তু ঐ জায়গাটা অত্যন্ত করুণ। ওটা ওদের জায়গা না। ব্যাঙ্ক, মার্কেটিং, কোম্পানি ইত্যাদি। অনেককেই দেখেছি কোচিং সেন্টার দিয়ে বসেছে এবং সে স্বপ্ন দেখছে এর বিস্তৃতি নিয়ে। সে ধরে নিয়েছে জিওলজি থেকে কিচ্ছু হবে না। এরকম আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে আমার কাছে।

তাহলে জিওলজি পড়ার কি দরকার ছিলো! বাংলা, সংস্কৃত, সঙ্গীত, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে পড়লেই হতো।  আমরা যখন ক্লাস আর প্রাক্টিক্যালে জর্জরিত, দুপুরে ঘুম হারাম, গভীর রাত অব্দি Assignment, Class Test এর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সকালের ঘুম না ভাঙতেই সকালের ক্লাসের অ্যালার্ম; আর ওরা ক্যাম্পাসে কিনা আয়েশি জীবন কাটাতো।
আবার বিসিএস, অন্যান্য সরকারি চাকুরিতে ওরা এগিয়ে, ঠিক গোলআলু। গোলআলু যেমন সব তরকারীতে চলে, সব চাকুরিতে ঐ হাল্কা সাবজেক্ট ওয়ালাদেরকে দেখা যায়।
আবার ওদের মুখেই আমাদের ব্যঙ্গ করতে শুনি “ভুয়া তত্ত্ব ও খালি বিদ্যা” ; সম্ভবত. আমাদের এ বেহাল দশা ওদেরকে এরকম মজা দেয়।

আজ অনার্স করতে দুই বছর অতিরিক্ত লাগছে, মাস্টার্স করতে অতিরিক্ত একবছর লাগছে। বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস ওয়ালারা হাসতে হাসতে ক্যাম্পাস ছেড়ে চাকুরিতে জোগদান করছে।
বড় লজ্জার কথা, ক্যাম্পাসে ঘুরতে লজ্জা লাগে। যাদের সাথে একসাথে ভর্তি হয়েছি তারা চলে গেছে, এখন পরিচয় দিতে হয় সেশন উল্লেখ করে, না হলে সহপাঠি- বন্ধু- জুনিয়র যে যেভাবে ভাবার সুযোগ পায়।
এলাকার লোকটি বাবাকে জিজ্ঞাসা করে, “আপনার ছেলে ফেল টেল করছে নাকি, এতো বছর লাগার কথা না ”; এ লজ্জা রাখবো কোথায়?
কর্তৃপক্ষ এর কোনো জবাব দিবে?

কৃষক পিতার অতিরিক্ত দুইবছরের জোগান দিবে, ফসলে লাভ না হলেও পিতাকে সেশন জটের সেশন ফি দিতে হয়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের শোষণের রুপান্তর নয় কি? 
এ “লগন” আদায় হলেও বিয়ের “লগন” আর আসেনা। দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ। 

শিক্ষকতা মহান পেশা, আমার পছন্দ দুটো কারণে, এক- হালাল রোজগার, সৎ- সচ্ছল জীবন যাপন, দুই- সমাজে সম্মান, মর্যাদা।
অথচ এই শিক্ষকতা পেশায় আমাদের কোনো সুযোগ নেই। নেই শিক্ষা ক্যাডারে পদ। বেসরকারি স্কুল কলেজেও নেই। দশম শিক্ষক নিবন্ধন চলছে, আমরা শুধু দেখেই যাচ্ছি।

এখন কথা হলো, স্কুল কলেজের একজন শিক্ষার্থীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, Climate Change, Earthquake, Water Quality, Environment, Disaster ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় আমার বিশ্বাস তারা সদুত্তর দিতে পারবে না। অথচ এগুলো প্রত্যেকটিই জানা শিক্ষক ছাত্রের জন্য অতীব জরুরী বলার অপেক্ষা রাখে না। এগুলো নিয়ে মাধ্যমিকের সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ভুগোল অনুচ্ছেদে যা আছে তা যতার্থ নয়। আর এগুলো কি একজন জিওলজিস্ট পড়ান?

জিওলজি মানে জীবন-মরনের প্রশ্ন। বাস্তবতা- উপেক্ষিত।

আজ ভাষাবিজ্ঞানের ছাত্র বাংলার সাথে আবেদন করতে পারছে,
রাষ্ট্রবিজ্ঞান- সামাজিক বিজ্ঞান একীভূত করে নিয়োগ হচ্ছে,
তাহলে জিওলজিকে কেন ভূগোল, মৃত্তিকাবিজ্ঞানের সাথে নিয়োগ দেয়া যায়না?
তা না হলে আলাদা পদায়নের সৃষ্টি করা হোক!

সরকারি চাকরি আজ স্বপ্ন। ভালো রেজাল্ট করার পরও আল্টিমেট কয়েকলাখে ভাগ্য নির্ধারিত হয়।। বাপেক্স, পেট্রবাংলায় কয়টা সার্কুলার হয়? যখনি শুনি পেট্রবাংলার সার্কুলার হয়েছে, তখনি মনটা আনন্দে ভরে ওঠে, কিন্তু ম্লান হতে একটু সময় বেশি লাগে না যখন দেখি কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের স্টুডেন্টের পদ বেশি।

একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সে কোথায় পড়ে। বলল, সে “ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার”; বুঝতে পারলাম ইঞ্জিনিয়ারিং পরেও তাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ার না বলার ক্ষোভ।
জীওলজি- একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিঃসন্দেহে। বুয়েটে পড়াচ্ছে, পলিটেকনিকে পড়াচ্ছে, কুয়েট, চুয়েটে পড়াচ্ছে। একি পড়া, একি সিলেবাসে আমরাও পড়ছি “জীব ও ভু বিজ্ঞান” অনুষদে। যেখানে রয়েছে উদ্ভিডবিদ্যা, প্রানি বিদ্যা...। সমস্যাতো গোড়াতেই।

অনেকেই এই বলে ক্ষান্ত হয়, রিজিক আল্লাহ যেখানেই রেখেছেন, সেখানেই সেখানেই হবে। আলবত শিওর, এটি বিশ্বাস করতে হবে, না হলে ঈমান থাকবেনা।

তাই বলে আমার অধিকার নিয়ে খেলা করার অধিকার কারো নেই।
ফেসবুক গ্রুপ পোস্ট  থেকে)