A Good Geology Movie


There are plenty of movies that come out of Hollywood that we consider atrocious because of their geology related story lines. 
However, what would you consider to be a good geology movie?
I have one for you. And it may seem like it’s out of left field.
The Shawshank Redemption.


While geology is only discussed a few times in the film, it becomes a key piece to the underlying story – starting with Andy receiving the rock hammer. And maybe that’s why it’s such a good geology movie – because it really isn’t about geology.
Anyway, if you have never seen it, I recommend that you check it out! Here is the trailer.


Thanks for visiting the blog, Tell your friend to visit the blog; Any suggestion of this blog please contact/message me in fb. 

তিতাস থেকে ফিরেঃ অভিজ্ঞতা ও একটি প্রশ্নপত্রের ড্রিলিং

এতদিন যারা তিতাসের নাম শুনলেই হাপিত্যেশ করেছিলো, তিতাস ঘুরে এসে সে হতাশা কেটে গেছে আশাকরি। তবে নতুন করে কিছু প্রশ্নও দানা বেঁধেছে। আমাদের অনেকেই আছে, যারা শুধু স্রেফ এতো টুকুই জানি, জিওলজি পড়লে তিতাস, পেট্রোবাংলায় চাকরি করা যায়। কিন্তু জন্মেও তিতাস, পেট্রোবাংলার উঠোনে পা দেইনি। আজ যখন পা দিলাম তখন অনেকটা দেরীতে। ইশ! অনেক আগে ঘুরে যেতে পারলে কাজ হতো। কি কাজ হতো! আশা বাঁধতাম, স্বপ্ন দেখতাম, রেজাল্ট অনেক ভালো করতাম, একটা সম্পর্ক তৈরি হতো ইত্যাদি। হাপিত্যেশটা এখানেই।
আর যারা জিওলজিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে তাদের কথা ভিন্ন।


এখন কথা হলো, লোভ খুব গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশুনার জন্য চাকরির জন্য একটা Passion থাকা দরকার। টান অনুভব না হলে ভালো করা যায়না। ভালোবাসাতো একপেশে হয়না। ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ার, থার্ড ইয়ার, ফোর্থ ইয়ার শুধুই ফিল্ড আর প্রোজেক্ট করে গেলাম, এতো কষ্ট করে আমাদের মাইন্ড সেটআপ হয়ে গেছে যে জিওলজি পড়তে হলে কষ্ট করতে হবে। কষ্টের পর সুখ আছে এটা সহজ সমীকরণ। মাস্টার্সে তিতাস পরিভ্রমণেই মনে হলো... সুখের খনি আসলেই আছে। সুখ কথাটা আপেক্ষিক। তবে অনেক পয়সা আছে। গাড়ি বাড়ি সবই আছে। কর্মস্থলের পরিবেশটাও রাজকীয়।

আমরা আমাদের কনফিডেন্স লেভেল হারিয়ে ফেলেছি। ঘুরে ফিরে সেইএকই কথা। নেতিবাচকতা। তবে তিতাস গেলে সেই হারানো সম্পদটাকে ফিরে পেতে পারেন। তিতাস, বাপেক্স, পেট্রবাংলা একান্তই আপনার সম্পত্তি মনে করবেন না। সেখানে আপনার মতই অন্য ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টরা জব করেন। যেমন, তিতাসের এমডি কমার্সের, জিএম আইনের। তবে মজার বিষয় হলো ওনারা সবাই রাজশাহী বিশ্যবিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। আর, ৫ জন জিওলজিস্টের মধ্যে ৪ জনই আমাদের ডিপার্টমেন্টের।

আমাদের বিভিন্ন স্পট ঘুরিয়ে দেখালেন ওখানকার জিওলজিস্ট, আমাদের ডিপার্টমেন্টের বড় ভাইয়া আপুরা। তাঁদের বোঝানোর স্টাইলে আপনি মন্ত্রমুগ্ধ হবেন।আমাদের যেকোনো প্রশ্নের জবাব ইনস্ট্যান্ট। জিওলজি ভাইয়াদের নখদর্পণে। অনেক ম্যাচিউর। তবে আমার মনে হয়, সপ্তাহ খানেক তত্ত্বাবধানে থাকলে আমাদেরও যে কেঊই তা ওরকম সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।

হ্যাঁ, সেই তিতাসের সোনার হরিণকে ধরতে কি করতে হবে?
=> আপ্লাই করতে হবে সার্কুলার হলে। পরীক্ষা সাধারনত নিয়ে থাকে বুয়েট। নির্বাচন পদ্ধতি- লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইভা। প্রশ্নের ধরণ-এমসিকিউ, মাঝে মধ্যে শর্ট প্রশ্নত্তর। বাংলা ইংরেজি সাধারণ জ্ঞ্যান কবর পর্যন্ত আপনাকে তাড়াবে। তবে সাধারণ জ্ঞ্যানের কিছু প্রশ্নও জিওলজি কেন্দ্রিক হতে পারে।


নিচে আমি CIL Coal Geology Question Papers, Exam 2012 CIL নমুনা স্বরূপ উপস্থাপন করলামঃ
The most abundant element in the earth’s crust is
A. Sodium
B. Potassium
C. Oxygen
D. Silicon
সঠিক উত্তর : C
Which of the following energy sources dose not come originally from the sun
A. Wind
B. Ocean thermal energy conversion
C. Geothermal
D. Hydroelectric
সঠিক উত্তর: C
Ca-montmorilloniteis formed by the chemical weathering of(A) calcite(B) augite
(C) orthoclase (D) forsterite
সঠিক উত্তর: B
In which ofthe following crystal systems, the characteristic symmetry elements “a two-foldaxis of rotation and at least two planes of symmetry” are possible?
(A) Tetragonal (B) Hexagonal
(C) Orthorhombic (D) Monoclinic
সঠিক উত্তর: C
Which one ofthe following basins is producing petroleum from the coal-rich reservoir rocks?
(A) Rajasthan Basin (B) Cambay Basin
(C) Cauvery Basin (D) Krishna–Godavari Basin
সঠিক উত্তর: B

ট্যুরে যাওয়ার আগে (না পড়লে পস্তাইবে)


আমরা আমাদের যে কোনো কাজকে উপভোগ্য করতে পারিনা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাবে। তাই আমি এবার কিছু টিপস দিবো যা সফরকে করবে অনাবিল আনন্দময় এবং ক্লান্তিহীন ।

আমার বিশ্বাস, আমি এ পর্যন্ত যতগুলো সফর করেছি কেউ এতগুলো করেনি। স্বভাবতই অভিজ্ঞতার ঝুলিটা একটু বড়।
এই সফরের মধ্যে ছিলো...
  • Short journey
  • Long Journey
  • বিয়ে বাড়ির নেমন্তন্ন
  • দুরের আত্মীয় স্বজনের বাড়ি
  • এক দিনের যাতায়াত
  • দুই দিনের যাতায়াত
  • তিন দিনের সফর
  • ৫ দিন, ৭ দিনের সফর
  • ১ চিল্লা মানে ৪০ দিনের সফর
  • তিন চিল্লা মানে ১২০ দিনের সফর
  • চাকুরির পরীক্ষা
  • ক্লাব ভিজিট
  • পিকনিক
  • ট্রেনিং/ ওয়ার্কশপ
  • শিক্ষা সফর সমগ্র
  • পুরষ্কার গ্রহণ ইত্যাদি।
সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, আমার বাংলাদেশ চষে বেড়ানোর অভিজ্ঞতার আলোকে কিভাবে আমরা আমাদের তিতাস ট্যুর উপভোগ্য করতে পারি তা বলবো।
আমাদের এ ট্যুর যাওয়া- আসা+ মাঝে একদিন।

প্রথমেই আমি বলবো একটা লিস্ট করতে। তাহলে লিস্ট শুরু হয়ে যাক। ।
  1. ব্যাকপ্যাক ।
  2. দুই সেট পরিস্কার পরিধেয় বস্ত্র। (একটা রাফ ইউজ, একটা ফর্মাল)
  3. মানিব্যাগ/ পার্স (টাকাসহ- অনেকেকেই দেখেছি মানিব্যাগ/পার্স আছে কিন্তু টাকা-পয়সা নাই)
  4. মোবাইল (নিত্যসঙ্গি)
  5. আইডি কার্ড
  6. ঘড়ি (নষ্ট হলেও সমস্যা নেই;জাস্ট স্টাইল;  সময় দেখে কয়জনে, মোবাইল আছে না)
  7. রুমাল (ভদ্রতা)
  8. চশমা/সানগ্লাস (একটা চোখের , একটা মাথার )
  9. হাল্কা গামছা (হাত মুখ ধুয়ে কোথায় খুঁজবে )
  10. ব্রাশ-টুথপেস্ট (একদিন হলেও লাগবে)
  11. ওষুধ-পত্র (লাগবে)
  12. ছাতা/হ্যাট (হ্যাটে কি আর রোদ থেকে বাঁচা যায়, সম্ভব হলে ছাতা নাও)
  13. নোটপ্যাড+কলম (ডিজিটাল নোটপ্যাড রাখতে পারো, কলম লাগবে না। এক্সট্রা কলম নিও যদি কালি শেষ হয়... হি... হি... )
  14. হাল্কা খাবার (এটাও নাগবে... আশা কইরোনা... )
  15. পানির পট (লুকিয়ে রাখবা)
  16. টিস্যুপেপার (নো কমেন্টস)
  17. আয়না-চিরুনি (ছেলেরাও রাখতে পারো... )
  18. মাস্ক (ধুলোবালূ থেকে রক্ষার জন্য)
  19. একটি চাদর/ শীতের কাপর
  20. ক্যামেরা (সবার পক্ষ থেকে কমপক্ষে একটা )
তো , আমাদের লিস্ট হয়ে গেলো। এখন যা করনীয়-
  1. আগেই কনফার্ম হওয়া যে গাড়ি ছেড়ে দিবে কয়টায়। এ অনুযায়ী প্রস্তুত হওয়া।
  2. সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া। (তাই বলে আগে সিট নেয়ার জন্য সকালে যাওয়ার দরকার নেই{ফান})
  3. জার্নিতে পড়তে হয় রাফ/ইজি কাপর। কেনোনা, বাসে উঠাবসা, বাসের ধুলোবালূতে ভালো কাপর ভালো থাকে না। যদি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, বাস থেকে নামার পর কাপর চেঞ্জ করার যথেষ্ট সময় ও পরিবেশ দেয় তাহলে ইজি কাপর পরাই ভালো, নচেৎ ফাইনাল কাপর পড়া। মেয়েরা রাফ কাপর হিসেবে বোরকা ইউজ করতে পারে।
  4. ব্যাকপাকে লিস্টেড জিনিসগুলো রাখা। 
  5. গাড়িতে রাতে এবং ভোরের দিকে ঠাণ্ডা লাগতে পারে। এজন্য একটি চাদর বা ব্লেজার রাখা। 
  6. অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছে, সেই প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো রাখা। আবার অনেকে জার্নিতে বিভিন্ন সমস্যা হয়, এধরনের ওষুধও রাখা।
    যেমনঃ মেট্রো গ্রুপ, প্যারাসিটামল গ্রুপ।
  7. অনেকেই vomit করে, এজন্য রাখতে পারে Polythene.

সব কিছু ঠিক থাকলেও একটা জায়গায় একটু সমস্যাতো সকলেই ফেস করে। আর তা হলো সামনে আসন নেয়ার ব্যাপারে। এটা শুধু আমাদের সমস্যা না। এটি জাতীয় সমস্যা। সংসদেও সামনে আসন না পেলে ওয়াক-আউট হয়। আর আমাদেরতো স্বাভাবিক।

আমার মাথা ঘোরে, আমার বমি হয়, আমার বুক ধরপর করে, আমার পাঁজরে ব্যাথা কত্ত অজুহাত সামনে বসার জন্য। এর কোনোটা সত্যি হলেও কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়।

আমরা এ সমস্যা নিরসনে একটা সহজ উপায় অবলম্বন করতে পারি। এতে সকলেই সমান সুযোগ পাবে। আর তা হলো লটারির ব্যবস্থা করা
এতে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেনা। আবার ফিরে আসার সময় হবে Reverse. অর্থাৎ আসার দিন সামনে যারা বসেছিলো তারা বসবে পিছনে। তাহলে সবাই সমান অধিকার পেলো।

তবে এখানে আরেকটা কথা থেকে যায়। আমরা তো মেয়েদের সামনেই বসার সুযোগ দিবো, কিন্তু যখনেই সমান অধিকারের প্রশ্ন আসে তারাও লটারির মধ্যে চলে আসে। সমানাধিকার তত্ত্ব এরকম অনেক জায়গাই ফেল মারে।

অন্যান্য পোস্টঃ
চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?
তিতাস থেকে ফিরেঃ অভিজ্ঞতা ও একটি প্রশ্নপত্রের ড্রিলিং

চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?


অনেকদিন ধরে এ নিয়ে লিখবো লিখবো করে লেখা হয়না। আজ বাস্তবতার নিরিখে কিছু কথা বলবো- এ কথাগুলো শুধু আমার না, আপনার মনের ভিতরেও রয়েছে।


চাকরির বাজারে জিওলজি কোথায়?
মানছি জিওলজির স্টুডেন্টরা বসে নেই। হা, জিওলজি ছাড়া সব জায়গায় আছে। কিন্তু ঐ জায়গাটা অত্যন্ত করুণ। ওটা ওদের জায়গা না। ব্যাঙ্ক, মার্কেটিং, কোম্পানি ইত্যাদি। অনেককেই দেখেছি কোচিং সেন্টার দিয়ে বসেছে এবং সে স্বপ্ন দেখছে এর বিস্তৃতি নিয়ে। সে ধরে নিয়েছে জিওলজি থেকে কিচ্ছু হবে না। এরকম আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে আমার কাছে।

তাহলে জিওলজি পড়ার কি দরকার ছিলো! বাংলা, সংস্কৃত, সঙ্গীত, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে পড়লেই হতো।  আমরা যখন ক্লাস আর প্রাক্টিক্যালে জর্জরিত, দুপুরে ঘুম হারাম, গভীর রাত অব্দি Assignment, Class Test এর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সকালের ঘুম না ভাঙতেই সকালের ক্লাসের অ্যালার্ম; আর ওরা ক্যাম্পাসে কিনা আয়েশি জীবন কাটাতো।
আবার বিসিএস, অন্যান্য সরকারি চাকুরিতে ওরা এগিয়ে, ঠিক গোলআলু। গোলআলু যেমন সব তরকারীতে চলে, সব চাকুরিতে ঐ হাল্কা সাবজেক্ট ওয়ালাদেরকে দেখা যায়।
আবার ওদের মুখেই আমাদের ব্যঙ্গ করতে শুনি “ভুয়া তত্ত্ব ও খালি বিদ্যা” ; সম্ভবত. আমাদের এ বেহাল দশা ওদেরকে এরকম মজা দেয়।

আজ অনার্স করতে দুই বছর অতিরিক্ত লাগছে, মাস্টার্স করতে অতিরিক্ত একবছর লাগছে। বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস ওয়ালারা হাসতে হাসতে ক্যাম্পাস ছেড়ে চাকুরিতে জোগদান করছে।
বড় লজ্জার কথা, ক্যাম্পাসে ঘুরতে লজ্জা লাগে। যাদের সাথে একসাথে ভর্তি হয়েছি তারা চলে গেছে, এখন পরিচয় দিতে হয় সেশন উল্লেখ করে, না হলে সহপাঠি- বন্ধু- জুনিয়র যে যেভাবে ভাবার সুযোগ পায়।
এলাকার লোকটি বাবাকে জিজ্ঞাসা করে, “আপনার ছেলে ফেল টেল করছে নাকি, এতো বছর লাগার কথা না ”; এ লজ্জা রাখবো কোথায়?
কর্তৃপক্ষ এর কোনো জবাব দিবে?

কৃষক পিতার অতিরিক্ত দুইবছরের জোগান দিবে, ফসলে লাভ না হলেও পিতাকে সেশন জটের সেশন ফি দিতে হয়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের শোষণের রুপান্তর নয় কি? 
এ “লগন” আদায় হলেও বিয়ের “লগন” আর আসেনা। দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ। 

শিক্ষকতা মহান পেশা, আমার পছন্দ দুটো কারণে, এক- হালাল রোজগার, সৎ- সচ্ছল জীবন যাপন, দুই- সমাজে সম্মান, মর্যাদা।
অথচ এই শিক্ষকতা পেশায় আমাদের কোনো সুযোগ নেই। নেই শিক্ষা ক্যাডারে পদ। বেসরকারি স্কুল কলেজেও নেই। দশম শিক্ষক নিবন্ধন চলছে, আমরা শুধু দেখেই যাচ্ছি।

এখন কথা হলো, স্কুল কলেজের একজন শিক্ষার্থীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, Climate Change, Earthquake, Water Quality, Environment, Disaster ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় আমার বিশ্বাস তারা সদুত্তর দিতে পারবে না। অথচ এগুলো প্রত্যেকটিই জানা শিক্ষক ছাত্রের জন্য অতীব জরুরী বলার অপেক্ষা রাখে না। এগুলো নিয়ে মাধ্যমিকের সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ভুগোল অনুচ্ছেদে যা আছে তা যতার্থ নয়। আর এগুলো কি একজন জিওলজিস্ট পড়ান?

জিওলজি মানে জীবন-মরনের প্রশ্ন। বাস্তবতা- উপেক্ষিত।

আজ ভাষাবিজ্ঞানের ছাত্র বাংলার সাথে আবেদন করতে পারছে,
রাষ্ট্রবিজ্ঞান- সামাজিক বিজ্ঞান একীভূত করে নিয়োগ হচ্ছে,
তাহলে জিওলজিকে কেন ভূগোল, মৃত্তিকাবিজ্ঞানের সাথে নিয়োগ দেয়া যায়না?
তা না হলে আলাদা পদায়নের সৃষ্টি করা হোক!

সরকারি চাকরি আজ স্বপ্ন। ভালো রেজাল্ট করার পরও আল্টিমেট কয়েকলাখে ভাগ্য নির্ধারিত হয়।। বাপেক্স, পেট্রবাংলায় কয়টা সার্কুলার হয়? যখনি শুনি পেট্রবাংলার সার্কুলার হয়েছে, তখনি মনটা আনন্দে ভরে ওঠে, কিন্তু ম্লান হতে একটু সময় বেশি লাগে না যখন দেখি কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের স্টুডেন্টের পদ বেশি।

একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সে কোথায় পড়ে। বলল, সে “ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার”; বুঝতে পারলাম ইঞ্জিনিয়ারিং পরেও তাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ার না বলার ক্ষোভ।
জীওলজি- একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিঃসন্দেহে। বুয়েটে পড়াচ্ছে, পলিটেকনিকে পড়াচ্ছে, কুয়েট, চুয়েটে পড়াচ্ছে। একি পড়া, একি সিলেবাসে আমরাও পড়ছি “জীব ও ভু বিজ্ঞান” অনুষদে। যেখানে রয়েছে উদ্ভিডবিদ্যা, প্রানি বিদ্যা...। সমস্যাতো গোড়াতেই।

অনেকেই এই বলে ক্ষান্ত হয়, রিজিক আল্লাহ যেখানেই রেখেছেন, সেখানেই সেখানেই হবে। আলবত শিওর, এটি বিশ্বাস করতে হবে, না হলে ঈমান থাকবেনা।

তাই বলে আমার অধিকার নিয়ে খেলা করার অধিকার কারো নেই।
ফেসবুক গ্রুপ পোস্ট  থেকে)

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বে ও পরে আমাদের করণীয়

যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা হবে, তারা হয়তো ফেসবুক বা সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন না। আপনি তো করেন ! আপনার সময় থাকলে আপনি আপনার  গ্রামে চলে যান আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেলে। গ্রামের মানুষগুলোকে সচেতন করতে এগিয়ে যান। সরকারী সহায়তার জন্য বা সচেতনতা সৃষ্টির জন্য না
বসে থেকে নিজে এগিয়ে যান। ঝড় বা জলোচ্ছ্বাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উপকূলের মানুষজন। তাঁদের পাশে দাড়ান. বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বেশ ঝুকির মধ্যে আছে। সবাইকে সচেতন করে তুলুন। শেয়ার করুন।


পূর্বাভাসের আগে:

১. দূর্যোগের সময় কোন এলাকার লোক কোন আশ্রয়ে যাবে, গরু মহিষাদি কোথায় থাকবে তা আগে  ঠিক করে রাখুন এবং জায়গা চিনিয়ে রাখুন।
২. নিজের কাছে ব্যাটারীচালিত রেডিও রাখুন বা মোবাইলে রেডিও শুনুন। নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস শোনার অভ্যাস করুণ।
৩. সম্ভব হলে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম (ব্যান্ডেজ, ডেটল প্রভৃতি) রাখুন।
৪. জলোচ্ছ্বাসের পানির প্রকোপ থেকে রক্ষায় নানারকম শস্যের বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিন।
৫. সবাইকে সাঁতার শেখা উচিত।
৬. ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে বা অন্য আশ্রয়ে যাবার সময় কি কি জরুরি জিনিস সঙ্গে নেয়া যাবে এবং কি কি জিনিস মাটিতে পুঁতে রাখা হবে তা ঠিক করে সে অনুসারে প্রস্তুতি নেয়া উচিত।
৭. আর্থিক সামর্থ থাকলে ঘরের মধ্যে একটি পাকা গর্ত করুন। জলোচ্ছ্বাসের পূর্বে এই পাকা গর্তের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারবেন।
৮. ডায়ারিয়া মহামারীর প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখতে হবে। শিশুদের ডায়ারিয়া হলে কিভাবে খাবার স্যালাইন তৈরি করতে হবে সে বিষয়ে পরিবারের সকলকে প্রশিক্ষণ দিন।
৯. ঘূর্ণিঝড়ের মাসগুলোতে বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুট জাতীয় শুকনো খাবার রাখা ভাল।
১০. নোংরা পানি কিভাবে ফিটকারি বা ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করা যায় সে বিষয়ে মহিলাদের এবং আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিন।
১১. ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করুন। বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ। মাটির বড় হাঁড়িতে বা ড্রামে পানি রেখে তার মুখ ভালভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে যাতে পোকা-মাকড়,     ময়লা-    আবর্জনা ঢুকতে না পারে।

পূর্বাভাস পাবার পর দুর্যোগকালে করণীয়:

১. আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন, আরও মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধা।
২. সিপিপি এর স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।
৩. বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির মেয়ে, শিশু ও বৃদ্ধাদের আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পৌছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের পরে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যান।
৪. বাড়ি ছেড়ে যাবার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন।
৫. আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমন- ডাল, চাল, দিয়াশলাই, শুক্নো কাঠ, পানি ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত ব্যবহৃত ঔষধ, বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা দিয়ে পুঁতে রাখুন।
৬. আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচুস্থানে রাখুন। কোন অবস্থায়ই গোয়াল ঘরে বেঁধে রাখবেন না। কোন উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা করতে দিন।
৭. শক্ত গাছের সাথে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি বেঁধে রাখুন। রশি ধরে অথবা রশির সাথে নিজেকে বেঁধে রাখুন যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিতে না পারে।
৮. আশ্রয় নেয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশেপাশে গাছের ডালপালা আসন্ন ঝড়ের পূর্বেই কেটে রাখুন, যাতে ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়িয়ে না যায়।
৯. রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনতে থাকুন।
১০. দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন।
১১. টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে ভালভাবে আটকে রাখতে হবে যাতে ময়লা বা লবনাক্ত পানি টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ না করতে পারে।
১২. স্কুল বা চাইল্ড কেয়ার সেন্টার থেকে আপনার ছেলেমেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনুন।
১৩. হ্যান্ড ব্রেক দিয়ে এবং গিয়ারে রেখে গাড়ি পাকা ও মজবুত কোনো আশ্রয়ে পার্ক করুন।
১৪. ঘরের বাইরে থাকা যেকোনো কাঠের বা প্লাস্টিক আসবাব ঘরের ভেতরে নিয়ে আসুন।
১৫. সকল ধরনের জানালার 'শাটার' বন্ধ করুন বা জানালাকে বোর্ড দিয়ে বন্ধ করুন অথবা এটা সম্ভব না হলে শক্ত মোটা টেপ দিয়ে তা মুড়ে দিন। পর্দা নামিয়ে দিন এবং দরজা বন্ধ রাখুন।

দুর্যোগ পরবর্তী করণীয়:

১. রাস্তা-ঘাটের উপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
২. আশ্রয়কেন্দ্র হতে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
৩. অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
৪. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
৫. রিলিফের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। রিলিফের পরিবর্তে কাজ করুন।  কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উৎসাহী করে সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।
৬. দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধার কর্মআরম্ভ করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাকে উদ্ধার কাজে সাহায্য করা যায়।
৭. ঝড় একটু কমলেই ঘর থেকে বের হবেন না। পরে আরও প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৮. পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পান করুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
৯. দ্রুত উৎপাদনশীল ধান ও শাক-সব্জির জন্য জমি প্রস্তুত করুন, বীজ সংগ্রহ করুন এবং কৃষি কাজ শুরু করুন যাতে যথাসম্ভব তাড়াতারিড় ফসল ঘরে আসে।

গুরুত্বপূর্ণ ফুটনোট:

১. আপনার এলাকার Cyclone Shelter Information Database জানতে ক্লিক করুন এই লিংকে: http://www.dmic.org.bd/csdb/
৩. সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। ব্যাটারিচালিত রেডিও'র মাধ্যমে আপডেট শুনতে থাকুন।৪. যদি এ সময়ে আপনি গাড়ি চালানো অবস্থায় থাকেন, তাহলে থামুন (হ্যান্ডব্রেক অন করুন এবং গাড়ি গিয়ারে রাখুন)। সমুদ্র থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে থাকুন, গাছ,
   বিদ্যুতের তার এবং ঝরনা থেকে দূরে থাকুন। গাড়ির মধ্যেই থাকুন।
৫. একটি বহনযোগ্য ব্যাটারি রেডিও, টর্চ ও বাড়তি ব্যাটারি;
৬. পানির বোতল বা 'কন্টেইনার', শুষ্ক ও প্যাকেটজাত খাবার;
৭. দেয়াশলাই বা গ্যাস লাইটার, কেরোসিন বাতি বা কুপি, বহনযোগ্য স্টোভ, রান্না ও খাওয়ার সরঞ্জাম, এবং
৮. ফার্স্ট এইড কিট ও ম্যানুয়াল, ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ ঠিকঠাক রাখার জন্য মাসকিং টেপ।
৯. জরুরি ফোন নাম্বারগুলো সহজে চোখে পড়ে, এমন কোনো জায়গায় ঝুলিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে নিজের কাছে রাখুন।
১০. প্রতিবেশীদের খোঁজ নিন, বিশেষ করে যারা মাত্র আপনার এলাকায় এসেছেন। তারাও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত কি না, তা নিশ্চিত করুন।


তথ্যসূত্র:
মুসা ইব্রাহিমের নোট, গুগল সার্চ, 
www.dmic.org.bdদৈনিক পত্রিকা, আবহাওয়া বিষয়ক বিদেশী ওয়েবসাইট।ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বে ও পরে আমাদের করণীয় Hadiuzzaman Palak ভাইয়ের ফেসবুক পোস্ট থেকে 

Geological Software

অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম একটা পোষ্ট দেব। দেওয়া হচ্ছিল না। ভুতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিষয়ে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু সফটওয়্যার এর নাম। এগুলো ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে পাওয়া যাবে।

আমি একটা কথা বিশ্বাস করি। শেখার জন্য চুরিতে কোন পাপ নায়। আসলে ইন্টারনেটে এগুলো ঠিকই পাওয়া যাবে তবে পাইরেটেড ভার্সনগুলো। যেগুলো ক্র্যাক বা কিজেন বা প্যাচ দিয়ে পার্সোনালী ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে কোন কোন সফটওয়্যারের দাম ৪০ লাখ টাকার উপরে। তাই পাইরেটেড কপি দিয়ে শিখতে দোষের কি? তবে কার্যকরী পাইরেটেড ভার্সন ডাউনলোড করাটাও বিশাল কঠিন কাজ। বিশেষ করে দামী সফটওয়্যারগুলো। সফটওয়্যার নামের তালিকার সাথে সবশেষে দুটো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম দিয়ে দেয়া হলো। কারন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যদি স্টুডেন্ট লাইফে শেখা থাকে তবে তার সুবিধা ভবিষ্যতে খুবই ভাল হবে।

Geologic Software:

1. Rockware Rockworks 16
2. Rockware Logplot 7
3. Schlumberger Petrel
4. Schlumberger Eclipse
5. Surfer 11

Hydrologic Software:

1. ArcHydro (ArcGIS Extension)
2. ArcHydro Groundwater 3.3 (ArcGIS & ModFlow Extension)
3. Aquaveo SMS 11.1 (Surface-water Modelling System)
4. Aquaveo GMS 9.1 (Groundwater Modelling System)
5. Aquaveo WMS 9.1 (Watershed Modelling System)
6. Schlumberger Modflow

GIS & RS Software:

1. ArcGIS 10.2 Desktop (with all Extensions)
2. MapInfo 12
3. Quantum GIS
4. Erdas Imagine 2012
5. ENVI 4.7
6. Ilwis 3.08
7. Google Earth

CAD Software:

1. AutoCAD
2. AutoCAD Map 3D
3. AutoCAD Raster Design

Programming

1. Visual Basic
2. Python
(জিওলজি এন্ড মাইনিং গ্রুপ থেকে টোটন ভাইয়ের পোস্টটি নেয়া)

"প্রজেক্টে কাজ করে আয়"

 পড়াশুনার পাশাপাশি প্রজেক্টস এ কাজ করে পেতে পারেন বাড়তি আয়। এছাড়া আপনার এই কাজটা হতে পারে ইন্টার্ণশিপ যা পরবর্তীতে থিসিস বা বিদেশে Scholarship পেতে সাহায্য করবে॥ চাকরির ক্ষেত্রে প্রায়শই কাজের অভিজ্ঞতা চায়, এক্ষেত্রে একজন ফ্রেশারের করার কিছুই থাকে না॥ আপনি অনায়াসেই আপনার সিভিতে আপনার প্রজেক্ট কাজের তথ্য উল্লেখ করতে পারেন॥



কীভাবে কাজ পাবেন: 



এই প্রতিযোগিতার যুগে কোনো কাজ পাওয়া অত সহজ নয়, বিশেষত যেখানে আপনি কাজ করে এক মাসেই আয় করতে পারেন ১৫,০০০-৪০,০০০ টাকা; সেখানে কাজ পাওয়াটা ঝক্কি বৈকী॥ তারপরও আপনি হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্র নন;কাজ আপনার চাই;তবে নিচের টিপস গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন॥


১) আপনার টিচার কিংবা সুপারভাইজারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। রাস্তা,বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন, বিদেশি প্রজেক্ট সহ অনেক কাজ সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট আসে॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাধারণত প্রজেক্টস এ কাজ পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে॥


২) আপনার ডিপার্টমেন্টর বড় ভাই যারা বিভিন্ন জিওলজিক্যাল সেক্টরে জব করছেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন॥ আপনি তাদের আগেই বলে রাখুন যে নতুন কাজ আসলে আপনাকে যেন দেয়॥



৩) মনে রাখবেন 'দক্ষতা ছাড়া সততা শক্তিহীন'। কাজেই দক্ষ হন॥ আপনি কিছু সফ্টওয়ারের কাজ শিখে নিতে পারেন।যেমন: এমএস অফিস,সার্ফার,জিআইএস,রক ওয়ার ১৫ ইত্যাদি॥ আপনাকে আর ঠেকায় কে?



৪) আপনার পরিচিত কর্মকর্তাকে বলে রাখতে পারেন যে কোনো জিওলজিক্যাল প্রজেক্টস এ আপনি কাজ করতে ইচ্ছুক। 



একাডেমিক রেজাল্ট কোনো বাঁধা না, আপনি কতটা দায়িত্ব ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে পারবেন সেটাই বিবেচ্য বিষয়। আপনার যাত্রা শুভ হোক। কাজ পেলে জানাতে ভুলবেন না॥





ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যাঃ কুইজ- ১ম পর্ব


প্রশ্নঃ হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে কোন নদীর উত্পত্তি-
উত্তরঃ পদ্মা নদী।
প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের সবচেয়েবৃহত্তম ও উচুঁ পাহাড় কোনটি?
উত্তরঃ গারো পাহাড় (ময়মনসিংহ)।
প্রশ্নঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কোন পাহাড় অবস্থিত?
উত্তরঃ চন্দ্রনাথ।

প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
উত্তরঃ তাজিন ডং (বান্দরবন)।
প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের একমাত্র জলপ্রপাত কোনটি?
উত্তরঃ মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত। (মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখায়
অবস্থিত। ২৫০ ফুট উপর থেকে পানি নিচে পড়ে।)

প্রশ্নঃ টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?

উত্তরঃ  মণিপুর 

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়  কবে? 
উত্তরঃ হরিপুরে ১৯৫৭ সালে